প্রকৃতি ভালোবাসা মেয়েরাই বাসে

আমাকে যদি প্রশ্ন করা হয়, পৃথিবীতে মেয়েরা স্বার্থপর না ছেলেরা স্বার্থপর?
আমি উচু গলায় চেচিয়ে বলে দিবো “আমরা ছেলেরাই স্বার্থপর!
উদাহরণঃ
আমি একটা যুবতী বিধবা মেয়েকে চিনি,
-‘যে স্বামী মারা যাবার পর আবার বিয়ে না বসে যৌবন এর মোহ্ ত্যাগ করে,
হাতের মেহেদির রং ওঠে গেছে মাটি কেটে মৃত স্বামীর সংসারের হাল ধরতে!
“কিন্তু আমি কোন পুরুষ কে দেখি নাই এ সমাজে,
যে কাউকে ভালোবেসে বিয়ে করে বউ মারা যাওয়ার পর,
ঐ ভালোবেসে বিয়ে করা মৃত মেয়েটির মায়া এবং তার স্মৃতি আগলে রেখে সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতে…!!!
“পুরুষ তুমি টকটক করে চেয়ে থেকে আনন্দে উল্লাসিত হও, মেয়েটা যখন ফার্মেসী থেকে চুপিসরে সেনোরার প্যাকেট কিনে.!
“সারাদিন একটা মেয়ে রান্না বান্না, ঘর গুছানো,
সংসারের সব কাজ করে হাতে ফোস্কা ফেলেও তা লুকিয়ে রাখে,
কাউকে দেখতে পর্যন্ত দেয় না, তারপরেও স্বামী এসে বলে অকর্মা…!!
“পুরুষ তুমি অকর্মা বলার আগে একবার ও ভাবোনি যে মেয়েটা তোমাকে
বাবা ডাক শোনাবে বলে ১০মাস ১০দিন শত কষ্ট দুঃখ সহ্য করে গর্ভে সন্তান ধারন করে,
তারপরেও তুমি কি করে পারো স্বার্থপর হতে..!!!
“১২ হাত কাপড়ে ডেকে রাখা মেয়ের দেহ থেকে কাপড় সড়িয়ে নেওয়ার আগে ভাবতে পারো না,
তোমার ঘরের মা বোন ও একজন নারী..!!
“হয়তো এমন অনেকে আছে যারা আমার লেখা পরে গালি দিয়ে বলবে,
কাব্য একটা মেয়ে খোর লেখক, তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না,
কিন্তু এটা আমার পরম সৌভাগ্য যে আমি নারীদের নিয়ে লিখছি,
কেননা আমার গর্ভধারিণী মা ও আঁদরের ছোট বোনটা ও যে একজন নারী…!!!
“পুরুষ তুমি শুধু এটা জেনে রাখো, কারো এটো থালা বাসান ধুতে শুধু শক্তি লাগে না,
যা লাগে তা হলো বুক ভরা মায়া আর মমতা,
পুরুষ তুমি সারাদিন পরিশ্রম করে টাকা পাও,
আর তোমার সংসারে যে দিনরাত খাটাখাটনি করে তাকে সামান্য
ভালোবাসা দেওয়াটা কী খুব বেশি বাড়াবাড়ি।
জানি লেখাটি সবার ভালো লাগবে না।
যদি ভুল কিছু বলে থাকি ক্ষমা করে দিবেন।