একটা ঘটনা। এটা একটা সত্যি ঘটনা

নিজের পরিচয় টাআমি নীল সবে কলেজে ভরতি হলাম।এখন ক্লাস শুরু হয়নি।তাই বাড়িতে থাকি বন্ধুদের সাথেও আড্ডা দিতে ভালো লাগেনা।তাই বাড়ি বাইরেও তেমন যাইনা।আমার বাড়িতে মা বাবা আর একটা বোন আছে।এবার মুল কাহিনীতে আসা যাক

কালথেকে কলেজ শুরু।তাই তারাতারি রাতে শুয়ে পরতে হবে কারল কলেজ আমর বাড়ি থেকে অনেক দুরে প্রয় ৩-৪ ঘন্টার পথ।তাই আর রাতনা করে শুয়ে পরলাম।

পরের দিন,,,,,
আজ প্রথম কলেজে যাব তাই তারাতারি বাড়ি থেকে বের হলাম।
কলেজে এসে নিজের ক্লাস খুজে ক্লাসে গিয়ে বশলাম।কিছুখন বাদে ক্লাসে স্যার আসল।তারপর সবার পরিচয় জানলেন স্যার।তারপর ক্লাস নিয়ে স্যার বেরিয়ে গেলেন।

ক্লাসে বসে আছি আমার পাশে একটা ছেলে বলল,,,,

ছেলেটা-হাই আমি শুভ।
আমি-আমি নীল।
শুভ-তোমার বাড়ি কোথায়।
আমি———-জায়গা তে।তোমার।
শুভ- ———-জায়গা।
তারপর আর কিছু কথা হল।শুভোর চেনা কয়ের জনের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল।তারপর ক্লাস শেষ করে বাড়ি চলে আসলাম।

পরের দিন,,,,,,
ক্লাসে বসে আছি কিছু খন পর শুভরা আসল এসে বলল,,,
শুভ-ক্লাস শুরু হওয়াতো দেরি আছে চল বাইযেয়ে ঘুরে আসি।
আমি-আরে আার ঘোরা ঘুরি বেশি ভালো লাগেনা।তোরাযা আমি যাবনা।
শুভ-আরে চল না ভালো লাগবে।

তারপর এক প্রকার জোর করে নিয়ে গেল।খুব মজা করলাম।এত মজা আগে কখ করিনি।তারপর ক্লাস করে বাড়ি চলে আসলাম।

এমন ভাবে অনেক গুল দিন কেটে গেল।এই কয়েক দিনে শুভদের শাতে খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেছে।

১০দিন পর,,,,,,

আজ ক্লাসে আসছি এমন সময় কয়ে কটা মেয়ে এসে আমার সামনে দাড়াল।তার পর ওদের মধ্যে থেকে এক জন বলল,,,,

মেয়ে-হাই আমি প্রিয়া।
আমি-আমি নীল।
প্রিয়া-কেমন আছেন।
আমি-ভালো।আপনি।
-ভালো ।আমরা বন্ধু হতে পারি।
এ মেয়ে বলেকি আমি জীবন মেয়ে দের সাথে কথা বলতে ভয় পাই হাটু কাপে।এখন হাটু কাপছে।কি করব ভাবছি(মনে মনে)তারপর রাজি হয়ে গেলাম।

তারপর ক্লাসে গিয়ে বসে আছি।শুভ আসল এসে আমার পাশে বশল।কিছু খন পর প্রিয়া ক্লাসে আসল।এসে আমার শামনে দরালো তার পর শুভকে বলল,,,

প্রিয়া-এই এখান থেকে ওঠ।
শুভ-কেন।
-আমি বসব।আর আমার মুখে মুখে তর্ক করছ যানতো আমি কে।

তারপর শুভ কিছু না বলে উঠে গেল আমি কিছু বুঝতে পারছি না কে এই মেয়ে।তারপর প্রিয়া আমার সাথে বকবক শুরু করল আমি ওর কথার উওরে শুধু হ্যা বা না বলছি।

ক্লাস শেষ শুভ আমার কাছে এসে বলল তুই চিনিস প্রিয়া কে।তারপর তারপর আমি ওকে সব বললাম।তারপর ও যা বলল তাতে আমি কি বলব বুঝতে পারছি না।ও বলেকি প্রিয়া নাকি এই এলাকার D. Mএর মেয়ে ।অনেক বড় লোক।কোনো ছেলেকে পাওা দেয় না।অনেক ছেলে ওকে প্রোপজ করেছে কিন্তু কাউকে পাওয়া দেয় নি।শুভ বলল তোর লাক ভালো বন্ধু।

এমন ভাবে কিছুদিন চলে গেল।আসতে আসতে প্রিয়ার আচরণও বদলাতে শুরু করল।একদিন ও বলল,,,
প্রিয়া-নীল আজ তোমাদের বাড়ি যাব চল।
আমি-কি তুমি আমাদের বাড়ি।কেন।
প্রিয়া-এমনি যেতে ইচ্ছা করছে তাই।
আমি-আমার বাড়ি অনেক দুরে অাজ তুমি বাড়ি ফিরতে পারবে না।প্রিয়া-তাইকি।
আমি-তোমার বাড়ি সবাব বকবেনা।
-না আমি ফোন করে দেব।
-কিন্তু আর একটা সমস্যা আছে।
-কি।
-আমরাতো তোমাদের মত বড় লোক না।
-তাতেকি।
-তুমি নরম বিছানাতে শুয়ে।অভ্যস্ত আমাদের বিছানাতে তোমার ঘুম আসবেনা।
-আরে এমন কিছুনা।তুমি নিয়ে চল।
তারপর আরকি নিয়ে আসলাম।মাকে আগে ফোন করে বলে দিয়ে ছিলাম যে একটা বান্ধবী আসছে আমার সাথে ।বাবা কে যেন মেনেজ করে।তারপর বাড়ি নিয়ে এসে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলাম।আমার বুনতো প্রথম দেখাতে ওকে বৌদি বলে ডাকা শুরু করেছে।আর দেখি প্রিয়াও কিছু বলছে না শুধু হাসছে মনে হচ্ছে ওর সাথে আমার রিলেশন আছে।আর আমি মনেমনে বলছি এইডা কেমন অবিচার।

কিছুদিন পর,,,,,,,,
আজ কলেজে গিয়ে প্রিয়ার একটা বান্ধবীর সাথে কথা বলছি।এমন সময় ও এসে আমার সামনে হাজির।তাপর আমাকে টানতে টানতে ওর সামনে থেকে নিয়ে গেল।বলল,,, তুই আর কোনো মেয়ের সাথে ক বলবি না।
আমি-কে।
-আমি লযবলেছি বলে।আর যদি দেখি কথা বলতে তারপর তোর খবর আছে।
আমি আরকিছুনা বলেচুপ করে থাকলাম।পরে শুনলাম আমি ওর যে বান্ধবীর সাথে কথা বলে ছিলাম তার সাথে আর কথা বলেনা।

এমন ভাবে আরো কয়েকটা দিন কেটে গেল।এক দিন ওর একটা বান্ধবী বলল যে প্রীয়া নাকি আমাকে ভালবাসে।আমি তো সুনে অবাক।

তারপর একদিন ও আমাকে প্রোপজ করলো।আমি ওকে না করে দিলাম।কারণ ও অনেক বড় লোকের মেয়ে।আমি বামুন হয়ে চাঁদে হাত বাড়াতে চাইনা।আমি ওকে অনেক বোঝানোর চেষ্টাকরলাম কিন্তু ও কিছুতে বুঝতে চাই না।

এমন ভাবেদিন চলছিল।ও আমাদের বাড়ি মাঝে মাঝে আসত।আমি ওকে অনতে না চাইলে ও জোর করে চলে আস্ত।

আমিযে ওকে পছন্দ করতাম না তা না।আসলে আমি ভাবতাম ও বর লোকের মেয়ে।তার উপর এক দম ডাইনি মারকা ব্যাবহার করত আমার সাথে।ওর পাছন ছারানোর জন্য ভাবলাম কয়েকদিন কলেজে যাবনা।তাই কলেজ জাওয়া বন্ধকরে দিলাম।পোন সিম চেঞ্জ করে ফেলাম।এমন ভাবে ২ দিন চলে গেল।তারপর এক দিন শুভকে ফোন করলাম।ও বলল,,,,

-নীল কিরে কলেজে আসছিস না কেন।
-এমনি।(মিথ্যা বললাম)
-আরে প্রীয়া তোর কথা কত বার জিজ্ঞেস করেছে জানিস।বলে ও না কি কাল তোদের বাড়ি যাবে।
-কি ।
-হু
-তোর সাথে পরে কথা বলব।
ওর কথা শুনে অমার তো কাজ শেষে।প্রীয়া আনেক বার আমাদের বাড়ি তে এসে ছে।তাও ও আসলে আমার ভয়ে হাটু কাপে।তাই আমি ওর কাছে ফোন করলাম।,

-হ্যাল।
-কে প্রীয়া।
-হু।আপনি।
-আমি নীল।
-ওই তুই কলেজে অাসছিস না কেন।আর তোর ফোন বন্ধ কেন।
-আরে এমনি শরীরটা ভালো ছিলনা।আর মোবাইল টা হারিয়ে গেছে।(মিথ্যা বললাম)
-ও।শোন কাল কলেজে আসবিতো।
-হু
-৯ টার আগে কলেজে আসবি।তোর সা কিছু কথা আছে।
-কি কথা ।আর ক্লাস শুরু তো ১০ টাই এত তারা তারি কি করব।
-আগে আয় তার পর বলব।
তারপর ফোনটা রেখে দিলাম।আর ভাবছি কাল আবার কি করবে।

পরের দিন,,,,,,
ক্লাসে বসে আছি কিন্তু ডাইনি টার কোনো পাত্তা নেয়।কিন্তু খন পর আসল।আমি বললাম,,,,,
আমি-কি বলবি।
-তুইকি আমাকে একটু ভালো বাসতে পারিস না।
-তোকে আমি আগেও বলেছি।
-ওই তুই আর একটা কথা বল দেখ কিরি।(কলার চেপে ধরে)
-ওই কি করছি!
-চুপ।শোন আজ ছুটির পর যদি সবার সামনে আমাকে প্রোপজ না করিশ তার পর দেখিস কি করি।(কলার ধরে)

কি গুন্ডি মেয়েরে বাবা মনেমনে বললাম
-কি করবি।
-সবাইকে বলব যে তুই আমাকে বলব যে তুই আমাকে একাপয়ে জোর করেছিস।
-কি? আর কখন।এ তো মিথ্যা কথা
-হু সেটা আমি আরতুই জানি বাকিরা তো জানেনা।
এই বলে ও চলে গেল।ক্লাস বসে আছি কি করব ভাবছি।ওই মেয়ের উপর আমার একদম বিশ্বাস নেই ও যা বলেছে তাই করবে।তারপর আমি শুভকে সলযব বললাম।শুভ বলল প্রোপজ রকে  দে।তার পর ক্লাস শেষ করে বাইরে আসলাম।

দেখি প্রিয়া বাইরে মাঠে বসে আছে আমি ওক কাছে যেয়ে বলাম,,,
-প্রিয়া।
-তো কি ভাবলি।
-আমি তোর কথায় রাজি।
-তা হলে প্রোপজ কর।
-প্রোপজ না করলে হয় না।
-না।কেন।
-তুই তো জানিস যে আমি মেয়ে দের সামনে গেলে হাটু কাপে।
-তুই করবি না সবাইকে বলব।
-আরেনা না করছি তো।

তার পর হাটু গেরে ওর সামনে বসে বললাম। I LOVE YOU. তার পর যা হল আমি ভাবতেও পারিনি।

প্রিয়ার ওর বান্ধবী দের ডাক দিল তারপর বলল,,
-দেখ তোরা বলেছিলি না যে ও আমি ওকে দিয়ে  I LOVE YOU বলাতে পারব না।
আমি-এ সব কি প্রিয়া।
-তুই কি ভাবলি আমি তোকে ভালোবাসি।তোর মত গরিবের ছেলেকে আমি ভালো বাসব।এ সব করেছি আমার বান্ধবীদের সাথে বেট ধরে।
-মানে।
-তুই কলেজে আসার কিছু দিন পর যখন তোর বন্ধু শুভ সাথে বলেছিলি যে তুই প্রেম ভালবাসা বিশ্বাস করিসনা।আর কারোর সাথে প্রেম করবিনা।তখন আমরা সবাই ক্লাসে বাইরে ছিলান।তখন আমিআমার বান্ধবীর সাথে বট ধরি।যে আমি তোকি দিয়ে প্রোপজ করাব।আর সেটা যে কোনো মুল্যে।আর আজ আমি জিতে গেছি।
-তার মানে এত সব নাটক ছিল।
-হু।

আমি আর কিছু বলতে পারছি না আমার চোখ দিয়ে আন বরত জল পরছে ।আমি জীবনে প্রেম ভালবাসা বিশ্বাস করিনি।আজ সেই বিশ্বাস টা সত্যি হল।আমি মেয়ে দের কোনো দিন বিশ্বাস  করিনি আজ বিশ্বের করে ভুল করেছি।আমি বুঝে গেছি যে মেয়ে দের সত্যি বাশাস করতে নেই।আমি ও ওকে ভালোবেসে ফেলে ছিলাম।কিন্তু যদি জানতাম এমন হবে তা হলে হয়তো আমি ওকে ভালোবাসতাম না।ওকে ভালোবেসে বিশ্বাস করে জীবনের সব থেকে বেশি ভুল করে ফেলেছি।

কি করে মেয়েরা বেট ধরে এমন নিখুত নাটক করতে পারে ।আজ কের পর আর কোনো মেয়েকে বিশ্বাস করবনা।

নিজেকে গুটিয়ে নেব ।বিশ্বাস জিনিসটা মন থেকে মুছে ফেলব।আর কোনো দিন কাউকে বিশ্বাস করব না।হয়তো আমার জীবনটা এমন ভাবে কেটে যাবে।কারন সময় কারোর জন্য থেমে থাকেনা আমার জন্য হয়তো থেমে থাকবে না।আর এই কাহিনিটা এখানেই শেষ।আমি এটা আর এগতে চাই না।।

      ———-#সমাপ্ত ————–