প্রেমের কিছু চিরন্তন সত্য কথা

-কোন পানিতে কখনো শ্যাওলা জমে না?
-চোখের পানি।

-চিন চিন করে বুকের বাম পাশে ব্যথা করে কিন্তু এর কোনো ঔষধ তৈরী হয়নি। কোন সে ব্যথা?
-ভালোবাসার ব্যথা।

-সব কান্নার কারণ ব্যাখ্যা করা গেলেও কোন কান্না গোপনে কাঁদতে হয় এবং কোনো ব্যাখ্যা করা হয় না?
-প্রিয় মানুষের জন্য কাঁদলে।

-দেখতে অসুন্দর, তবুও দুনিয়ার সবার থেকে বেশি সুন্দর মনে হয় কার কাছে?
-বাবা-মা আর ভালোবাসার মানুষের কাছে।

-প্রিয় মানুষের কাছে অনেক চাওয়ার ভীড়ে একটি অভিমানী চাওয়া..
-আমি না বললেও সে বুঝুক আমি তাকে ছাড়া কষ্টে আছি। শব্দ না শুনেও বুঝুক আমার চোখ থেকে জল গড়িয়ে পড়ছে।

-কষ্টের সময় প্রিয় মানুষের ছবির দিকে তাকিয়ে থাকা কী?
-নিজের কাছে নিজের বোকামি প্রকাশ পাওয়া।

-কোন পানি বেঁধে রাখা বা আটকে রাখা যায় না?
-চোখের পানি।

-সবচেয়ে বেশি কষ্ট লাগে…..
-রাগ না ভাঙ্গিয়ে সে নিজেই যখন রাগ করে বসে থাকে।

-নিজেকে কষ্ট দেয়ার শাস্তি হিসেবে প্রেমিক/প্রেমিকা প্রথম যে কাজটি করে..
-কয়েকবেলা না খেয়ে দাঁতে কিড়মিড় করে কাটিয়ে দেয়।

-ভালোবাসা মানুষকে কষ্ট দেয়।
-ভুল, ভালোবাসার মানুষটি মানুষকে কষ্ট দেয়।

-সব কষ্ট দূর হয়ে যায়…
-যখন প্রিয় মানুষটা বুকে টেনে নেয়।

-ভালোবাসা কী?
-কচুপাতার পানি, এক নিমেষেই ঝরে যায়।(কষ্টে কষ্টিত মানুষগুলোর কাছে)

-ভালোবাসা কী?
-আশা, স্বপ্ন, আপন করে পাওয়া।(যারা কষ্ট পায়নি, কষ্টের পর সুখ পেয়েছে)

-পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা…..
-ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা, আমারো একজন ভালোবাসার মানুষ যদি হতো।

-ভালোবাসায় সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা…
-অনেক ভালোবেসেও বুঝাতে না পারা।

-ভালোবাসার ওজন…..
-৮০ কেজি।

-ভালোবাসা কোন পদার্থ?
– তরল। চোখে পানি, হৃদয়ের ঝরা পানি। নিজে শক্ত কঠিন হয়ে গেলেও হৃদয় থাকে কোমল। হৃদয় কখনো শক্ত হয় না।

-প্রেমের মরা জলে ডুবে না….
-ভুল, কোনো মরাই জলে ডুবে না। নির্ধারিত সময় শেষে ভেসে উঠে।

-প্রেমে পড়লে মানুষ নিজের প্রতি যত্নবান হয়।
-সত্য।

-ভালোবাসা দেহে না মনে?
-দেহ মন উভয়ে। দেহ না ডিঙ্গিয়ে মনে প্রবেশ করা যায় না। তার চোখ হরিণের মত, নাক বাঁশির মত, চুল শীতল পাটির মত, ঠোট গোলাপের পাঁপড়ির মত। সব দেহেরই অংশ। সবগুলো সাজানো হয় মনে।

-ভালোবাসা সবচেয়ে বেশি অনুভব হয়….
-বিরহে।