গল্পঃ মামাতো বোনের সাথে প্রেম | লেখকঃ শাকিল আহাম্মেদ | পর্ব – ২য়

আমি সেখান থেকে আমার রুমে চলে আসলাম।রুমে এসে  ঘুমিয়ে পড়লাম। সন্ধায় ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে আসলাম।ফ্রেস হয়ে এসে ভাবলাম একটু লামিয়ার রুম থেকে ঘুরে আসি।আমি আমার রুম থেকে সোজা লামিয়ার রুমের দিকে চলে গেলাম।লামিয়ার রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে দেখি লামিয়া ওর রুমে বসে ল্যাপটপ চালাইতেছে।আমি লামিয়ার রুমের দরজার সামনে দাড়িয়ে বললাম:
.
— ভেতরে আসতে পারি?
.
— আপনি এখানে?
.
— তোমার সাথে একটু কথা
বলতে আসলাম।
.
— আমার কাছে কোন অপ্রয়োজনীয় কথা
বলার মতো সময় নেই।
.
— তুমি ছোট বেলায় আমার রুম থেকে সড়তেই না।
আর আজ সেই তুমি এমন করছো।
.
— দেখুন ছোট বেলায় আমি কি করেছি কি না করেছি সেটা নিয়ে আমি ভাবতে চাই না।
.
— তোমার কি একটুও মনে পড়ছে না ছোট  বেলার সেই দিনগুলোর কথা।
.
— না আর আমি সেই দিনগুলোর কথা মনে করতেও চাই না।
.
আমি মাথা নিচু করে লামিয়ার রুম থেকে চলে আসলাম।  না আর ভাবতে পারছি না।একটা মানুষ হঠাৎ করে এতো পাল্টে যায় কিভাবে?আমি এরকম নানা কথা ভাবতে ভাবতে আমার রুমে যাচ্ছি।এমন সময় মামীর ডাকে চোখের পানি মুছে পিছন ফিরে তাকালাম:
.
— শাকিল শোন! (মামী)
.
— জ্বি মামী বলুন?(আমি)
.
— তুমি লামিয়ার কথায় কিছু মনে করো না। বিদেশে যাওয়ার পর থেকে মেয়েটা এতো বিগরে গিয়েছে যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না।
.
— না মামী ঠিক আছে।আমি কিছুই মনে করিনি।
.
— আমি টেবিলে খাবার দিচ্ছি তুমি আসো।
.
— আচ্ছা মামী আপনি যান!আমি আসতেছি।
.
আমি সেখান থেকে আমার রুমে চ লে গেলাম।রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে রাতের খাবার খাওয়ার জন্য সবার সাথে  টেবিলে গিয়ে বসলাম।তার কিছুক্ষণ পর লামিয়া আসলো সবাই একসাথে বসে রাতের খাবার খেয়ে নিলাম।খাওয়া দাওয়া করে আমি আমার রুমে গিয়ে শুয়ে পড়লাম। পরের দিন বাড়ির পাশের পুকুরে একা একা বসে আছি। চারিদিকের পরিবেশটাকে দেখতে অনেক সুন্দর লাগছে।
পুকুরের মাছগুলো পুকুরের পানির উপর দিয়ে সাড়ি বেধে ভেসে বেড়াচ্ছে।আমি মাছগুলোর সাড়ি বেধে চলা দেখছি।এমন সময় মামা আমার সামনে এসে দাড়ালো:
.
— এখানে একা একা বসে কি ভাবছিস?(মামা)
.
— কিছু না মামা।এই মাছগুলোর  সাড়ি বেধে চলা দেখছি!(আমি)
.
— আচ্ছা শোন একটা কাজে পাঠাবো তোকে।
.
— কি কাজ মামা।
.
— তোর ছোট মামার বিয়ের জন্য মার্কেট  করতে হবে।আমি টাকা দিচ্ছি তুই গিয়ে মার্কেট করে নিয়ে আয়।
.
— মামা আমি মেয়ে মানুষের কাপড় চোপড়ের  কোন কিছু বুঝি না।
.
— আচ্ছা দাড়া তোর সাথে লামিয়াকে পাঠাচ্ছি। লামিয়া তোকে সব কিছু বুঝিয়ে দিবে।
.
লামিয়া ওর সব খালাতো ফুফাতো বোনদের সাথে বসে
আছে।মামা লামিয়াকে ডাক দিতেই লামিয়া মামার
সামনে এসে দাড়লো………
.
— লামিয়া শোন……(মামা)
.
— জ্বি.. আব্বু বলো?(লামিয়া)
.
— তুই একটু শাকিলের সাথে গিয়ে তোর
ছোট মামার বিয়ের জন্য মার্কেট করে
নিয়ে আয় তো।
.
— আব্বুু আমি এখন যেতে পারবো না।
আমার একটা কাজ আছে।
.
— আমি তোকে যেতে বলছি তুই যাই।
এটাই আমার শেষ কথা।
.
মামা লামিয়ার উপর রেগে কথাটা বললো।লামিয়া  মামাকে খুব ভয় পায়। তাই লামিয়া আমার সাথে যেতে রাজি হয়ে গেল।কিছুক্ষণ পর লামিয়া রেডি হয়ে আসলো।  আমি লামিয়ার সাথে চললাম ছোট মামার জন্য মার্কেট করতে।মেইন রাস্তায় গিয়ে একটা রিক্সা ডাক দিলাম:
.
— এই যে মামা যাবেন?(আমি)
.
— কই যাবেন?(রিক্সাওয়ালা)
.
— লামিয়া ঠিকানা বললো।
.
— যাবো ওঠেন!
.
আমি রিক্সায় উঠে বসলাম।লামিয়ার রিক্সায় উঠার জন্য  আমার হাত এগিয়ে দিলাম।কিন্তুু লামিয়া আমার হাত না ধরে একাই রিক্সায় উঠার চেষ্টা করলো।লামিয়া রিক্সায় উঠার সময় পা স্লিপ কেটে পড়ে যাচ্ছিত।আমি দ্রত লামিয়ার হাতটা টেনে ধরলাম।লামিয়া পড়তে পড়তে বেচে গেল।লামিয়া রিক্সায় উঠে বসলো। রিক্সাটা ছেড়ে দিল।বেশ কিছুক্ষণ পর রিক্সাটা মার্কের সামনে গিয়ে দাড়ালো।আমরা মার্কেটের ভিতরে প্রবেশ করলাম। মার্কেটিং করতে করতে সন্ধা  হয়ে গেল।সন্ধায় মার্কেটের সামনে থেকে একটা রিক্সা নিয়ে বাড়িতে চলে আসলাম।
.
.
.
.
_________(চলবে)_________