কবিতা – বার্ধক্যে

কি তেজ, কথায়, চলায়, ফেরায়!
কি অসীম সাহসে ছুটে চলে জীবনের গতিতে।

বজ্রকন্ঠে কেঁপে ওঠে তেপান্তরের মাঠ,
এক মুহূর্তে দাবী করে ওঠে বিশ্ব সংসার তার।
নিয়ম অনিয়ম ভেঙে চুরে নতুন পথের সূচনা করে,
তৈরি করে বাসযোগ্য নতুন এক পৃথিবী।
সব আলো জ্বালাতে কি ভীষণ প্রচেষ্টা!

সময় বেড়ে যায়, বয়স বেড়ে বার্ধক্য কখন যেন দোর গোড়ায় হানা দেয়।।
তরুণের প্রতিবিম্বে দেখা যায় এক ভগ্ন শরীরের
মানুষকে।
এ যেন অচেনা কেউ!

এ কি সেই?
যে বাজখাঁই গলায় চেচিয়ে উঠত,
অধিকার, রীতি নীতি নিয়ে উত্তাল হতো।
এ কি সেই?
যে জীবনকে, মানুষকে নিজের সব কিছু দিয়েছে?

আজ বহুদিন পর তার নিজের দিকে খেয়াল হলো,
নিজেকে দেখতে গিয়ে আবিষ্কার করলো,
সময় সব সাজিয়ে নিয়েছে তার থেকে,
শুধু এনেছে জীবনের অন্তীম ও ভয়াবহ সত্য