একটি ছেলে

ছেলেরাও কাঁদতে পারে,সবার মতো তাদেরও ইমোশন আছে!সবার মতো তাদেরও ব্যথা অনুভব হয়,শুধুই যে মেয়েদের কষ্ট হয় তা কিন্তু নয়_ছেলেদেরও কষ্ট থাকে অপরিসীম,দূর থেকে হয়তো বোঝার উপায় নেই,মাঝে মাঝে তাদের পরিবর্তন বোঝা বড় দায়।

সময়ের বিবর্তনে মানব জীবন ওষ্ঠাগত,যখন পরিবারের ছাদ মাথায় থাকেনা!তখন তাদের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ থাকেনা।আজও কি বলবে ছেলেদের কষ্ট হয়না,আজও কি বলবে ছেলেদের মন বলে কিছু নেই?ভুলের মাঝে থেকে বাইরের জগতটা কে দেখ,দামাল ছেলেদের বিনিময়ে আমরা দেশটাকে পেয়েছি!

একটা মেয়ের পাশে মা-বাবা ভাই বন্ধু থাকে,একটা ছেলের পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ কি থাকে?মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিজের কথা না ভেবে,পরিবারের সকল গ্লানি দূর করে।মাঝে মাঝে ছেলেদের দোষারোপ করা হয়,তাদের কারণে বলে মেয়েরা লজ্জিত হয়,আসলেই কি তাদের সর্বক্ষেত্রে দোষ থাকে?বিধির কাছে প্রশ্ন জাগে, ছেলেরা কি মানুষ না?নাকি তাদের অনুভূতি গুলো মরিচীকা,না পাওয়ার বেদনা যদি বুঝানো যেত,তাহলে হয়তো মন মানসিকতা পরিবর্তন হতো।

বিয়ের সময় পাত্র খুঁজি ভালো চাকরিওয়ালা।যখন ভালোবাসার মোহে থাকি তখন করি না বিচার,যখন পরিবারের সব কাজ নিজেকে নিতে হয়।একজন ভরসার মানুষের দরকার তখন হয়।বর্তমানে দেশে বেকারের সংখ্যা অনেক,কখনো কি ভেবে দেখেছেন তাদের অবস্থা কি?যখন একটা ছেলে ভালো কোনো জায়গায় নিজেকে, প্রতিষ্ঠিত করতে না পারে তখন বলা হয় তোর দ্বারা কিছুই সম্ভব নয়।

সমাজের কাছে ও তার জায়গা মূল্যহীন।এই সমাজ তাকে নানা কথা শুনিয়ে যাবে এমন কি নিজের আপনজন ও ছাড় দেবে না,সত্যি হাস্যকর জীবনের হিসেব নিকেশ,যখন মুখ থুবরে পড়ে যেতে হবে তখন হয়তো কেউ বলবে না আমি আছি তোমার পাশে।কখনো পরখ করে দেখি নি তাদের, ভেতরকার অনুভূতি গুলো,তাই হয়তো সন্নিকটে অবস্থান করা সম্ভব না।হে নবীন জাতি প্রত্যাশা করছি নতুন কোনো সম্ভাবনা।