ব্যথার সীমানা কি বিচ্ছেদ.?

দুঃখের ঘর মোছা বাষ্পেরা যখন-

ভিড় করে চোখের দেওয়ালে –

মন কেমনের আস্তরণে চাপা পড়ে যায়-

হৃদয়ের ক্যানভাসে আঁকা সুখহারা তেলছবি!

ঘোলাটে স্বপ্নেরা দলবাঁধে –

সীমান্ত ঘেঁষা মনমরা কালো মেঘেদেরদের সাথে!খামখেয়ালি চাঁদটাও কি যেন বলতে গিয়ে থেমে যায় –

ছন্নছাড়া মেঘেদের মাঝে !আধবোজা চোখ, নিজের রঙীন ছবিগুলোকে –

হারিয়ে যেতে দেখে নিশ্চুপ হয়ে থাকে-দম ফাটা কান্নারা কখন যে ক্লান্ত হয়ে থেমে গেছে-

চোখের পলক ও জানে না ।মনের আঙিনা জুড়ে সেই সে ব্যস্ততা একটু নেই !

কাছে পাওয়ার ইচ্ছেরা ও হয়তো বুঝে গেছে-চেয়েও কিছু হবে না আর-কারণ ভালবাসতে গেলে, কারো ভালোবাসা পেতে গেলে-ভালোবাসা লাগে না –

লাগে যোগ্যতা কিংবা সমতা –

তাইতো মেঘ কালো চুলে বিনুনি কাটা আঙ্গুল গুলো ও –

পায় না আজ –

বাতাসে মেশা চুলের গন্ধ !আচ্ছা,

সব হিসেব কি শুধু চাওয়া-পাওয়া দিয়েই শেষ হয় ?

আর যদি বলি-আমার সব চাওয়া-পাওয়া জুড়ে-

আছে শুধু একটা চাঁদের মত মুখ –

ঝিলের মত গভীর আর আকাশের দিকে চেয়ে থাকা-

আনমনা দুটো চোখ !ঝর্নার স্নিগ্ধতা ভরা অপূর্ব সুন্দর হাসি –

সদ্য বোল শেখা কোকিলের সুরের মতো-আদর মাখানো কথার ফুলঝুরি –

আর অভিমান ভাঙানো যত অভিমানী রাত –

এমনকি সারা জীবনের জন্য এগুলি আমার সবকিছু ।মানবে তুমি আমার এই কথা ?

নাকি তোমার কাছে আমি এখন স্বার্থপর !হয়তো বাকি জীবনের জন্য ও !!