মনের মাঝে তুমি

আজ আমার মেডিকেল কলেজের প্রথম দিন। আজ আমি অনেক খুশি কারন আমার সপ্ন পূরনের আরো একধাপ এগিয়ে এসেছি।

আমি ইহানা রহমান একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট।বাবা মায়ের একমাএ সন্তার। আমার বাবা রাজিব রহমান আর মা ইলারা রহমান দুই জনই ব্যাংক এ জব করেন।

কিরে ইহানা আজ আমাদের মেডিকেল এর প্রথম দিন আর আজই তোর দেরি করে আসতে হলো রাগিভাবে কথাটা বল্লো আমার বেষ্টি রিসাআমি তো সেই কখনই আসছি তোর জন্য অপেক্ষা করতে করতে দেরি হয়ে গেছে এখন এসে দেখি তুই কলেজে।

আসলে আজ প্রথমদিন দেখে আব্বু দিয়ে গেছে।

কথাটা শুনে মনটা খারাপ হয়ে গেল ইহানার আজ তার ও প্রথমদিন ছিল ওর বাবা ও তো ওকে দিয়ে যেতে পারতো কিন্তু তার তো আমার জন্য সময় ই নেই।

আমার মন খারাপের বিষয়টি বুঝতে পেরে রিসা আমাকে বল্লো এমন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে তারাতারি চল বলে। আমার দ্রত হাটছি হঠাৎ কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে যাচ্ছিলাম ।

কিন্তু সামনে থাকা ব্যক্তিটি আমাকে ধরে ফেল্লো।বন্ধুদের সাথে হঠাৎ কারো সাথে ধাক্কা খেলাম।পরে যেতে নিলে তাকে ধরে ফেল্লাম। সামনের দিকে তাকিয়ে দেখি একটা উজ্জ্বল শ্যামলা মেয়ে চোখ গুলো বড় বড় আর বেশ মায়াবী দেখতে মেয়েটি চোখ বন্ধ করে আছে।

আমি পরেনি দেখে আস্তে আস্তে চোখ খুলে দেখি একটা অতি সুদর্শন ছেলে আমাকে ধরে কয়েছে।

লম্বা, ধবধবে ফর্সা বলতে গেলে। সবমেয়েদের স্বপ্ন পুরুষ।

রিসার ডাকে আমার হুস ফিরে এতক্ষনে বুঝতে পেরেছি আমি কি অবস্থায় ছিলাম তারাতারি সোজা হয়ে দাড়ালাম কি বলতে যাবো তার আগেই ছেলেটি বলে উঠলো।

এই মেয়ে দেখে চলতে পারো না ছেলে দেখলেই কি গায়ে পড়তে হবে।

তার উপর নিলজ্জির মতো তাকিয়ে ছিলে তোমাদের মতো মেয়েরা।

এই সব খুব ভালো করেই পারেই পারে ছেলে দেখলেই গায়ে পড়ে যায়।

একনাগাড়ে কথাগুলো বলে ফেল্লো ছেলেটা কথাটা শুনে মেজেস প্রচন্ড চটে গেল আমার।

মুখ সামলে কথা বলবেন কি ভেবেছেন আমি কথা বলবেন আর আমি চুপ করি শুনবো।

আপনি আমাকে যেই অপবাদ দিয়েছেন সেটই অপবাদ তো আমি ও আপনাকে দিতে পারি।

আপনি ও গায়ে পড়া লোক মেয়ে দেখলে গায়ে পারে ন।

এই মেয়ে নিজেকে কি মনে করো বিশ্ব সুন্দরী যে ছেলেরা তোমাকে দেখলে গায়ে পরবে ।

সিনিয়র দের সাথে কিভাবে কথা বলতে হয় সেটা যানোনা বেয়াদব কোথাকার।

আমি নিজেকে বিশ্ব সুন্দরী মনে করি আর নাই করে সেটা আমার বেপার আপনাকে এটা নিয়ে মাথা গামাতে হবে না।

আর রইলো সিনিয়রদের সম্মান যে সম্মান দিতে যানে সে অবশ্যই সম্মান পায়।

বলে চলে রিসাকে নিয়ে আসলাম।

এইদিকে ওর কথা শুনে রাগে আগুন ইভান বন্ধ্দের কিছু না বলে হনহন করে কলেজ থেকে বেড়য়ে গেল।

ইভান চৌধুরী আজিজ চৌধুরী আর ইভা চৌধুরীর একমাএ ছেলে।

আজিজ চৌধুরী হলো বাংলাদেশর একজন টপ বিজন্যাসম্যান।

ইভান দেখতে অনেক সুন্দর কলেজের সব মেয়েদের ক্রাশ কিন্তু কাউকে পাত্তা দেয়না।

ইভানের রাগ ও ইগু অনেক বেশি। ইভান এবার ফাইনাল ইয়ার এ।

ইভান এর একটা ছোট বোন ও আছে নাম ইলা চৌধুরি।

ক্লাস শেষ করে বাহিরে আসি হঠাৎ করে কেউ আমার হাত ধরে টেনে…

চলবে