সুন্দর কিছু কবিতা

আমাকে ভালোবাসতে হবে না, ভালোবাসি বলতে হবে না

মাঝে মাঝে গভীর আবেগ নিয়ে আমার ঠোঁট দুটো ছুঁয়ে দিতে হবে না,

কিংবা আমার জন্য রাত জাগাপাখিও হতে হবে না।

অন্য সবার মত আমার সাথে রুটিন মেনে দেখা করতে হবে না

কিংবা বিকেল বেলায় ফুচকাও খেতে হবে না।

এত অসীম অসংখ্য “না”-এর ভিড়ে শুধুমাত্র একটা কাজ করতে হবে;

আমি যখন প্রতিদিন একবার “ভালোবাসি”

বলবো তুমি প্রতিবার একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে

একটু আদর মাখা গলায় বলবে “পাগলি”

#যদি আমাকে কাজল পড়তে হয় তোমার জন্য, চুলে মুখে রঙ মাখতে হয়, গায়ে সুগন্ধি ছিটোতে হয়, সবচেয়ে ভালো শাড়িটা যদি পড়তে হয়, শুধু তুমি দেখবে বলে মালাটা চুড়িটা পরে সাজতে হয়, যদি তলপেটের মেদ, যদি গলার বা চোখের কিনারের ভাঁজকায়দা করে লুকোতে হয়, তবে তোমার সঙ্গে অন্য কিছু, প্রেম নয় আমার।

প্রেম হলে আমার যা কিছু এলোমেলোযা কিছু খুঁত, যা কিছুই ভুলভাল, অসুন্দর থাক, সামনে দাঁড়াবো, তুমি ভালোবাসবে। কে বলেছে প্রেম খুব সহজ, চাইলেই হয়! এতো যে পুরুষ দেখি চারদিকে, কই, প্রেমিক তো দেখিনা !

#আমি পনেরো হাজার কবিতা লিখেছি। কেন লিখেছি কেউ জানে না, আমিও জানি না। না লিখলে বাংলা সাহিত্যের ক্ষতি হতো না, আমার ক্ষতি হতো। লিখতে লিখতে বুঝেছি আমি কবিতা লিখতে জানি না। লিখতে লিখতে বুঝেছি কবিতা লিখলে দুঃখ ভোলা সম্ভব। কিন্তু দুঃখ ভুলে গেলে আর কবিতা লেখা যায় না।

বিনয় মজুমদার

#ধরো, অগ্রহায়ণের কোনো বিষণ্ন সন্ধ্যা। অসময়ে খানিকটা বৃষ্টি হয়ে গেছে।

হালের ফ্যাশনে এটাকে “নভেম্বর রেইন” না কী যেন বলে? যাকগে, ভুলে গেছো।

ধরো, তোমার পরনে আসমানী রঙ শাড়ি, শাড়ির জমিনে পায়রা আঁকা।

যেন শাড়ির জমিনে পায়রা উড়ছে!

খানিক আগেই যে লোকটাকে চারটে কটু কথা বলেছো তুমি, সে তোমার কপর্দকহীন সঙ্গী।

মনোযোগ হারিয়ো না, কথা শোনো মেয়ে! জানি তোমার কত অভিমান! না মেলা কত হিসেব

– সংসারের, জীবনের! বারান্দায় দাঁড়িয়ে অনিচ্ছায়, বিতৃষ্ণায় কী দেখছো? কাকে?

তোমার বর হেঁটে চলে যাচ্ছে। তাকে?

সে কি জীবনানন্দের মতো হাঁটে?

★ ভালো নেই অঘ্রাণী ফুল