সতীনের সংসার | ৫ম – পর্ব

অধরা ব্যাগ থেকে ফোনটা বের করে দেখে জেরিন ফোন দিয়েছে। ফোন ধরে বলল, “হুম বল” “আমি কি বলব? তুই বল। অফিসে সব ঠিক আছে তো?” “হ্যাঁ সব ঠিক আছে। আর আমি এখন আমার কেবিনে বসে আছি। “ এভাবেই অধরা আর জেরিন কথা বলতে থাকে। হঠাৎ করে অধরা ওর কাঁধে একজনের Continue Reading →

সতীনের সংসার | ৪র্থ – পর্ব

রাতের খাবার খেয়ে অধরা ঘরে এসে দরজা বন্ধ করে দিলো। কোনোভাবেই তার মাথা থেকে যাচ্ছে না যে তাকে কেন এই চাকরিটা দেওয়া হলো। এমন সময় দরজায় ঠক ঠক আওয়াজ। “কে?” “আমি জেরিন। তুই কি ঘুমাই গেছিস?” অধরা দরজাটা খুলে বলল, “না। আয় ভিতরে আয়।” জেরিন ভেতরে এসে বলল, “তুই তো Continue Reading →

সতীনের সংসার | ২য়- পর্ব

চোখে লোনা পানি নিয়ে আফনানের বুকের উপরে নিজের মাথাটা রাখলো অধরা। তারপর চোখ বুজে হারিয়ে গেল ওর অতীত জীবনের ঘটনায়। ভাবতে থাকল কিভাবে ওর পরিচয় হয় আফনানের সাথে। ভাবতে থাকল কেন আজ আফনানের এই দশা। . [চলুন পাঠকগণ, আমরাও দেখে আসি কি হয়েছিল তাদের জীবনে] . ★FLASHBACK ★ সবুজ ঘাসে Continue Reading →

সতীনের সংসার | ১ম- পর্ব

রাত ১ টা বেজে ৪০ মিনিট । হঠাৎ একজন নার্স এসে অধরাকে বলল, “সেই কখন থেকে দেখছি আপনি এখানে দাঁড়িয়ে আছেন। যান, কোনো এক জায়গায় গিয়ে বসে থাকুন। এভাবে রোগীর রুমের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকবেন না।” রাত ৩ টা বেজে ৬ মিনিট। হঠাৎ একটি মহিলা এসে অধরাকে বলল, “এই যে Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১২

দুপুর ১:৩০ বাজে। নীর বাসা থেকে বের হয়ে আকাশ’কে ফোন দিলো। আকাশ ফোন রিসিভ করলো। নীরঃ কোথায় তুই ? আকাশঃ আমাদের ফ্যামিলি অফিসে আছি। নীরঃ যেতে পারবি না। তাই না‌? আকাশঃ হুমম পসিবল না। নীরঃ আচ্ছা আমি একাই চলে যাচ্ছি তাহলে। আকাশঃ বিকেলে আমার বাসায় আসিস। মানে ক্যান্টনমেন্ট কলেজ থেকে Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১৩

আরণি শাওয়ার নিয়ে বের হলো। তারপর চুল হাত দিয়ে ঝাড়তে-ঝাড়তে আকাশের রুমে এলো। আরণি ওর ভাইয়ের রুমে ঢুকতেই ওর চোখগুলো গোল-গোল হয়ে গেলো। কারন আকাশ বসে ওর আইসক্রিম খাচ্ছে। আর নীর বসে ওর মাউনটেন ডিও খাচ্ছে। আরণি মাজায় দু হাত রেখে রেগে বললো ! আরণিঃ নীর ভাইয়া তুমি আমাকে “ছুঁচি Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১৪

পরদিন ক্যাম্পাসে” সবাই বসে আড্ডা দিচ্ছিলো। আকাশ সবাইকে নীরের কাহিনী সব খুলে বললো। সেদিন বানিজ্য মেলায় একটি মেয়েকে দেখে নীরের রিয়্যাকশন কেমন ছিলো। তারপর নীর আর ও মেয়েটাকে ফলো করে মেয়েটির বাসা পর্যন্ত গিয়েছিলো। তারপর বাসা চিনে ফিরে আসার সময় মেয়েটি কিভাবে হাত নেড়ে হেসেছিলো ওদের দিকে তাকিয়ে। নীর মেয়েটির Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১৫

অনিসা কলেজ ড্রেসে , দু বেনী দু পাশে ঝুলিয়ে , ব্যাগের সাইড বেল্ট দুটো নাড়তে নাড়তে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হলো। ক্যান্টনমেন্টের পাশেই একটি আবাসিক এলাকা আছে। সবাই সেটাকে গার্ডেন বলে। বিকেলে অনেকেই সেখানে হাঁটা-হাঁটি করে , ব্যায়াম করে , আড্ডা দেয় ! সেখানেই আরণি আসতে বলেছে নীর’কে। অনিসা গার্ডেনের ভেতরে Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১৬

অনিসা চলে যেতেই সবাই নীরের কাছে এলো। এসেই সবাই একসাথে ঘাসের উপর আসন পেতে বসে পরলো মাথায় হাত রেখে। নীর সবার মাঝখানে একা দাঁড়িয়ে আছে। নীর ওর চারপাশে তাকিয়ে দেখলো সবাই আসন পেতে মাথায় হাত রেখে বসে আছে। নীরঃ তোরা এভাবে মাথায় হাত রেখে ঘাসের উপর বসে পরলি ক্যান সবাই Continue Reading →

ভালোবাসার পরী | পর্ব -১৭

রাতে নীর নিজের রুমে পায়চারী করছে। শুধু দুপুরে ঘটে যাওয়া ঘটনা ওর মাথায় ঘুরছে। কল্পনা করছে অনিসা’কে থাপ্পড় মেরেছে। যতোবার মনে পরছে ততোবার নীরের রাগ উঠছে নিজের উপর। কিভাবে পারলো নিজের ভালোবাসার মানুষ টাকে এভাবে থাপ্পড় মারতে। নীর ভাবতেই দেয়ালে জোরে এক ঘুশি দিলো রেগে।তখনি রাইসা ঢুকলো নীরের রুমে। রাইসাঃ Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -৩১

“জিনাত এই হলো আমার মা আর মা ও জিনাত।” মুগ্ধের কথায় জিনাত ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল, “আসসালামু আলাইকুম আন্টি। কেমন আছেন?” মুগ্ধের মা এসে জিনাতের পাশে বসে বললেন, “ওয়া আলাইকুমুস সালাম মা, ভালো আছি আমি।” মুগ্ধের মা আবারো মুগ্ধের দিকে জিজ্ঞাসুক দৃষ্টিতে তাকায়। মুগ্ধ মাথা চুলকে বলল, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -৩০

বিকেল ৪ টা, জিনাতকে আজ মুগ্ধ কোনো সারপ্রাইজ দিবে বলে ডেকেছে। সোনালী পাড়ের বেগুনী সুতির শাড়ি পড়েছে সে, মেকআপ করেছে বেশ, ঠোঁটের লাল লিপস্টিকটা জানান দিচ্ছে ও আজ বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে বেরোচ্ছে৷ কারণ সাধারণত জিনাত গোলাপী লিপস্টিক ব্যবহার করে। বেরোনোর সময় জেরিনের সামনে পড়ে জিনাত৷ জেরিন ওর আপাতমস্তক দেখে বলে, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৯

রাত ১০ টা, রাতের খাবার খেতে ডাইনিং এ এসেছে তুবা, যদিও সে আসতে চায়নি তাজিমের ভয়ে। কিন্তু এসেই দেখে তাজিম চুপচাপ চেয়ারে বসে আছে। ওর ঠোঁটের কোণে ও গালে এখনো লাল ফোলা অংশটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। অফিস থেকে বাসায় আসার পর কারো সাথে কোনো কথা বলেনি তাজিম, কারো সাথে রাগও Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৭

তুবাকে স্কুটি কিনে দিয়েছে তাজিম। কিছুদিন আগেই বোনের আবদার মেটাতে স্কুটি কিনে দেয় ওকে। এই স্কুটি এখনো গ্যারেজে পড়ে আছে। কারণ তুবার বিরক্তি, স্কুটির উপর খুব বিরক্ত সে। ও চেয়েছে গোলাপী স্কুটি কিন্তু তাজিম ওকে লাল টুকটুকে রঙের স্কুটি কিনে দিয়েছে, যা ওর তেমন একটা পছন্দ হয়নি। ভার্সিটি থেকে ফিরে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৮

সকালের নাস্তা করতে বসেছে আলিয়ার ও পরিবারের সবাই৷ আছিয়া খাবার পরিবেশন করছেন। আলিয়ারের কাছে গেলে আলিয়ার বলল, “তুমিও বসে পড়ো আম্মু।” “হুম, বসবো।” সবাইকে রুটি ও সবজি দিয়ে এসে আলিয়ারের পাশে বসে আছিয়া। আছিয়া ওকে বলল, “মুগ্ধের আম্মুর সাথে আর কোনো কথা হয়েছিল?” মুগ্ধের নাম শুনেই একবার আছিয়ার দিকে তাকায় Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৬

বেলা ১২ টা, সফলভাবে অস্ত্রোপচার শেষ হয় আলিয়ারের। আছিয়া হাসপাতালে আসার পর থেকে কান্না করেই যাচ্ছে। ইব্রাহিম উনাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ। কি করে সান্ত্বনা দিবে? মায়ের মনকে শান্ত করা কি এতোই সহজ? ১২:৩০ টার দিকে আলিয়ারকে অবজারভেশন রুমে নেয়া হয়। এখন থেকে ৭২ ঘন্টার অবজারভেশনে থাকবে আলিয়ার। আছিয়া, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৫

সন্ধ্যা থেকেই কোমড়ে ব্যথা শুরু হয়েছে আলিয়ারের। খুব একটা গুরুত্ব সে এবারেও দেয়নি। রাত ১১ টার দিকে রাতের খাবারের পর ডাইনিং টেবিলে উঠেই প্রচন্ড ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। জেরিন ওকে দেখে চিৎকার করে উঠে, “জিনাত আপু, এখানে আসো।” জিনাত রান্নাঘরে ছিল, দৌড়ে এসে আলিয়ারকে দেখে ভয় পেয়ে যায়। জিনার ওর Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৪

রাত ২ টা, ছাদে বসে আছে মুগ্ধ, জিনাতের সাথে ফোনে কথা বলছে। সন্ধ্যায় জিনাতের বলা কথাটা কিছুতেই ভুলতে পারছে না মুগ্ধ। জিনাত আলিয়ারকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, এটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে মুগ্ধের। “সব কষ্ট আমার জন্য কেন জিনাত? বলতে পারবে এর কারণটা?” “মুগ্ধ, একটু বুঝতে চেষ্টা করো প্লিজ। তুমি বিষয়টাকে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৩

পরেরদিন দুপুরে, আলিয়ার ডায়ালাইসিস করে বাসায় এসেছে। কাগজপত্রগুলো বেডসাইড টেবিলের উপর রেখে ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে যায়। মানসিকভাবে খুব একটা শক্ত অবস্থানে নেই সে। আলিয়ার ওয়াশরুমে যাওয়ার পর জিনাত রুমে আসে। জিনাত মূলত এসেছে আলিয়ারের রুম পরিস্কার করার জন্য। বিছানা গুছিয়ে টেবিলে হাত যাওয়ার পরই ডাক্তারি কাগজপত্র হাতে পড়ে ওর। কাগজগুলো Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২২

দুইদিন পর, ঘড়িটা জানান দিচ্ছে বিকাল ৫ টা। আলিয়ার আজ নিজের রিপোর্টগুলো নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে। ডাক্তার ওর রিপোর্ট দেখেই মুখ কালো করে ফেলে। আলিয়ার ডাক্তারের চিন্তিত মুখ দেখে জিজ্ঞাসা করে, “কি হয়েছে, স্যার?” ডাক্তার একবার ওর দিকে তাকিয়ে তারপর রিপোর্টগুলো টেবিলের উপর রেখে বলল, “আমি যা বলবো তা শুনার Continue Reading →