অদ্ভুত অনুভব । পর্বঃ -০২

অধরা। এই অধরা?? (মামি) -মামির ডাকে ঘুম ভাংলো। তাকিয়ে দেখি মামি পাশে বসে ডাকছে আভা দাড়িয়ে হাসছে আভাকে বড্ড লম্বা দেখা যাচ্ছে হয়ত ঘুমের ঘুরে দেখছি।একটা লম্বা হাই তুলে শুয়া থেকে ওঠে বসলাম । -গুড মর্নিং মামি।আভা তোর রুমটা এমন অন্যরকম লাগছে কেনো(আমি) – তুই আভার রুমে নাহ রান্না ঘরে(মামি) Continue Reading →

গল্পঃউজানপুর। শেষ-পর্ব

তাসফিয়া দৌড়ে সিহাবের কাছে এগিয়ে গেলো তখন সে খেয়াল করলো ওদের সামনে সেই ভয়ংকর লোক গুলো দাড়িয়ে আছে।আর এগিয়ে আসছে,,,,তাসফিয়া ভাবছে এবার হয়তো আমাদের আর বাঁচার কোন পথ নেই।এমন সময় সেই লোক হঠাৎ থেমে গেলো।তাসফিয়া বুঝতে পারলো ওর পিছনে কেউ একজন দাড়িয়ে আছে।তাসফিয়া ঘাড় ঘুরিয়ে দেখলো ওর পিছনে বয়স্ক এক Continue Reading →

স্বপ্নপূরণ । পর্ব – ০৫

বাবা ও আমাকে যখন বিয়ে করবে না ,তাহলে এত কথা বলে কোন লাভ নেই ওর সাথে। ও হচ্ছে বড়লোকের সন্তান আর আমরা কই গরিব? ওদের সাথে কি আমাদের মানায় বল? (অনেক কষ্টের প্রিয়া তার বাবাকে এগুলো বলতেছে, আর চোখের পানি দুই হাত দিয়ে মুছতেছে) রফিক সাহেব প্রিয়ার কথা শুনে চুপ Continue Reading →

স্বপ্নপূরণ। পর্ব-০৬ এবং ০৭

একটু পরে প্রিয়াকে ওটি থেকে একটা রুমে শিফট করে দেয় নার্সরা। তারপর রহিমা বেগম এবং রফিক সাহেব তার মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে চলে যান। তারা রুমের মধ্যে গিয়ে দেখেয তাদের মেয়ে একটা বেডে শুয়ে আছে। রহিমা বেগম তার মেয়ের কাছে চলে গেলেন। অন্যদিকে রফিক সাহেব ধীরে ধীরে তার মেয়ের কাছে Continue Reading →

স্বপ্নপূরণ। পর্ব-০৮

হঠাৎ করে প্রিয়ার মেয়ে মিষ্টি অনেক অসুস্থ হয়ে পড়েন সকাল থেকে তাই প্রিয়া তার মেয়েকে বড় কোন ভালো ডাক্তারের কাছে দেখাতে নিয়ে যাবে। প্রিয়া তার মেয়েকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য রেডি হচ্ছে। রহিমা বেগম তার মেয়ের রুমে এসে বলেন যে প্রিয়া আমিও যাই তোর সঙ্গে তাহলে তোর একটু Continue Reading →

দ্বিতীয় বসন্ত । আরশি আয়াত

একটু আগেই মা’কে কাফনের কাপড়ে ঢেকে দিয়ে এলো প্রিয়তি।পৃথিবীর বুকে এতিম হয়ে গেলো আজ সে। প্রিয়তির বাবা বোরহান সাহেব দ্বীতিয় স্ত্রীকে নিয়ে হানিমুনে গেছেন। কালই হুট করে প্রিয়তির বয়সী একটা মেয়েকে বিয়ে করে নিয়ে আসে প্রিয়তির বাবা। সেই কষ্ট’টা কিছুতেই সহ্য করতে না পেরে আজ সবার অগোচরে এই বিশালাকার নিষ্ঠুর Continue Reading →

দ্বিতীয় বসন্ত । পর্ব – ০২

রাত দু’টোর ঘন্টা কেবলেই বাজলো।প্রিয়তি বিছানায় শুয়ে একদৃষ্টে চেয়ে আছে সিলিংফ্যানে।মনে হচ্ছে চোখের সামনে মায়ের লাশটা ঝুলছে ফ্যানে।কি বিভৎস! প্রিয়তি চোখ বন্ধ করে ফেললো।চোখের কোণা বেয়ে দু ফোটা জল গড়িয়ে পড়লো। মায়ের মৃত্যুর আজ পঞ্চম দিন।পাঁচটা দিন ধরে মা কবরে শুয়ে আছে।পাঁচদিন ধরে দেখা হয় না,কথা হয় না। ভেতরটা খা Continue Reading →

দ্বিতীয় বসন্ত । পর্ব – ০৩

একটি নব্যদিনের সূচনা।এখন বেলা আট’টা।কাঁচের জানালা ভেদ করে সূর্যের একফালি রশ্মি মেয়েটির মুখে পড়ছে। সিঙ্গেল বিছানার মাঝখানে এভাবেই মেয়েটি একদম সটান হয়ে শুয়ে আছে বিগত তিনমাস ধরে। দুইপায়ের হাটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ব্যান্ডেজ,বাম হাত পুরোটা ব্যান্ডেজ,মাথায়ও ব্যান্ডেজ,গালে তিনটা সেলাই ডান হাতে স্যালাইন লাগানো। গত তিনমাস তাকে এভাবেই বাঁচিয়ে রাখা Continue Reading →

দ্বিতীয় বসন্ত । পর্ব – ০৪

কাঁচের স্বচ্ছ জানালা দিয়ে দৃষ্টি নিক্ষেপ করতেই কতোগুলো পাইন গাছ,দু’টো জোড়া রাধাচূড়া আর কয়েকটা নারকেল গাছ দেখা যাচ্ছে।সবচেয়ে কাছের নারকেল গাছটায় একটা কাকের বাসা দেখা যাচ্ছে। বাসাটা খালি।দৃষ্টিটা আরেকটু প্রখর করতেই অদূরে কয়েকটা পুরোনো বাড়িও লক্ষ্য করা যায়। এরমধ্যে একটা বাড়ি একতলা বাকিগুলো তিন,চার তলা সামনে কয়েকটা টিনের ঘরও দেখা Continue Reading →

দ্বিতীয় বসন্ত । পর্ব – ০৫

অহর্নিশদের বাড়ি থেকে বের হতে কয়েকটা গলি পড়ে।গলিগুলোর অবস্থা তেমন ভালো না।দুর্বোদ্ধ চক্রগ্রহের মতো গলি,ক্ষয়ে যাওয়া,রংচটা সারি সারি একতলা দু’তলা বাড়ি।এই গলিগুলো পেরিয়েই সুন্দর একটা রাস্তা পাওয়া গেলো।মাটির রাস্তা,দুপাশে পুকুর আর গাছপালার বেশ চমৎকার লাগছে পরিবেশটা।গাছে গাছে দু’একটা শালিক,কাকাতুয়াও দেখা যাচ্ছে।একদম সকাল হওয়ায় মানুষজনও নেই।অহিকে সামলাতে অহর্নিশের নাভিশ্বাস উঠে যাচ্ছে।একটা Continue Reading →

গোধূলীর আলোয়। মৌসুমী । পর্ব -৫০

সায়নের আজকাল; না, আজকাল না! অনুর সাথে বিয়ে হওয়ার পর থেকেই আয়মানদের বাসায় যেতে কেমন অস্বস্থি লাগে। কেমন লজ্বা টাইপ অনুভূতি হয় ভেতরে ভেতরে। আগে যেমন নিঃসংকচে আয়মানদের বাসায় যখন তখন যেতো, এখন তা হয় না! শ্বশুরবাড়ি বলেই হয়তো এমন মনে হয়। আগে ছিলো বন্ধুর বাড়ি আর এখন বন্ধুর বাড়ি Continue Reading →

গোধূলীর আলোয়। মৌসুমী । পর্ব -৫১

ভোরের আলো ফুটেছে কি ফুটেনি, পাখিরা ঘুম থেকে জেগেছে কি জাগেনি, নুসরাতকে রান্নাঘরের কাজ বুঝিয়ে দিতে নিয়ে গেছে ঝুমঝুমি। তাদের শ্বাশুড়ী নাকি আদেশ দিয়েছে। “বড় বৌমা, নিলয়ের বউকে ভোরবেলাতেই কাজ বুঝিয়ে দিবে। জমিদারের বাড়ির বউ না যে পায়ের ওপর পা তুলে থাকবে আর দাসীরা কাজ করে দিবে।” রান্নাঘরে নিয়ে গিয়ে Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । লেখকঃ আরিয়ান সুমন

বুড়িগঙ্গার তীড়ে একটি লাশ পাওয়া গেছে। ২৪/২৫ হবে বয়স। খবর টা দেখেই চমকে উঠলাম। খাবার রেখে সোজা রুমে চলে আসলাম। ওয়াশরুমে গিয়ে শাওয়ার টা ছেড়ে ভিজতে শুরু করলাম। ভিজতে ভিজতে কান্না থামিয়ে রাখতে পারলাম না। কিছুক্ষন পরেই আম্মু ডাকতে শুরু করল। আম্মুর ডাক শুনে ফ্রেশ হয়ে বেড় হলাম। আম্মুঃ কিরে Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । পর্ব -০২

ওসিঃ তার মানে সে তোমাকে ভালোবাসেই নাই। তো নিজে স্ট্যাব্লিশ হয়ে তাকে দেখাবে না? যে তুমিই তার জন্য বেটার অপশন ছিলা? আমিঃ দেখুন স্যার আপনি আমাকে যতই বুঝান না কেন আমি আমার ডিসিশন থেকে এক পা ও পিছু হাটব না। এ জীবন আর চাইনা আমার। ওসিঃ সুইসাইড করবা ডিসিশন চূড়ান্ত। Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । পর্ব -০৩

তাশফিঃ বিকালে ওই যে নিপা শাওন ভাইয়া আর আমি আমিঃ ও আচ্ছা। তা কি মনে করে? তাশফিঃ এমনিই। চেনা পরিচিতি থাকা ভালো। আমিঃ ধন্যবাদ। তাশফিঃ আজব তো আপনি এমন কেন? আমিঃ কি করলাম আমি? তাশফিঃ আচ্ছা কি করেন আপনি বলেন তো? আমিঃ রাজমিস্ত্রির কাজ করি। তাশফিঃ সত্যি? আমি ঃ হ্যা Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । পর্ব -০৪

তাশফিঃ সত্যিই ভালোবাসি। হাসি দিলাম। আমিঃ একটুও ভালোবাসো না। এমতাবস্থায় আর রিলেশন চালিয়ে যাওয়া ঠিক হবেনা। ব্রেকাপ। তাশফিঃ কি শুরু করলেন? আমিঃ বায় ভালো থেকো। বলেই উঠে চলে আসলাম। ভাবছিলাম ও কেঁদে দিবে কিন্তু না কাঁদেনি। বাসায় আসতেই,,, শাওনঃ কিরে কি খবর এখন? আমিঃ ব্রেকাপ তো করেছি। কিন্তু আমার মনে Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । পর্ব -০৫

তাশফিঃ আচ্ছা ঠিক আছে। আমি বুঝে গেছি আপনার আমার প্রতি কোনো ইন্টারেস্টই নাই। ব্রেকাপ তো। আজ আমিও ব্রেকাপ করলাম। ভালো থাকবেন তাশফি চলে গেল। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। আমার জায়গায় থাকলে বুঝতে আমি কিসের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। বসে আছি। একটু পর আমার ডাক পড়ল ইন্টার্ভিউর জন্য। গেলাম ভিতরে। দুজন লোক বসে Continue Reading →

রক্তাক্ত লাশ । পর্ব -০৬

হঠাৎ আমার চোখ গেল অন্যদিকে। আমি হা হয়ে গেলাম। নিজের চোখ কেই বিশ্বাস করতে পারছিনা। চিন্তাও করিনি ওরে এখানে এভাবে দেখব। কি কপাল রে ভাই। এভাবেই সামনে আসল। তুষারঃ কি দেখছিস ওভাবে? আমিঃ নেহা তুষারঃ কিহ আমিঃ নেহা সামনে দেখ একটা ছেলের সাথে কথা কাটাকাটি করতে করতে যাচ্ছে। দাড়া আমি Continue Reading →

গল্পঃ রক্তাক্ত লাশ । পর্ব – ০৭

তাশফিঃ ফাজলামি করবেন না একদম। আমিঃ ফাজলামি না সিরিয়াসলি বলছি। তাশফিঃ একবার বিশ্বাস করেছি। আপনি আমাকে যেভাবে ঠকিয়েছেন। তারপর আর আপনাকে মেনে সম্ভব না। আমিঃ তাশফি প্লিজ যা হবার হয়েছে। একবার তো দেখা করো তাশফিঃ আচ্ছা ঠিক আছে কাল দেখা করছি। বলেই ফোন রেখে দিল। কষ্ট পামু কি খুশিই হইলাম। Continue Reading →

এ শহরে বৃষ্টি নামুক । পর্ব-৩৭

ময়ুখমালী বিদায় নিয়েছে একটুক্ষণ আগেই। সূর্যশূণ্য আকাশটা কে পূর্ণ করতে উঠেনি স্বার্থপর চাঁদ। শুক্ল মেঘমেদুরে আচ্ছাদিত হয়েছে গোটা গোধুলীসন্ধ্যা। বর্ষণপূর্ব মেঘমোহে মায়া লেগে যাচ্ছে জগতের অঙ্গে অঙ্গে। মৃদুতা মারুতে দোদুল্যমান গোলাপি পুষ্পপাপড়ি। ড্রইংরুমের সাজবাতির আলোতে বসে আছে সবাই। হাসিমাখা আদরে প্রস্ফুটিত হয়ে উঠছে গোটা বাড়িটা। মধ্যমনি রাত্রিকে ঘিরেই যেনো সবকিছু। Continue Reading →