লেডি কুইন । পর্ব-০৮

পরেরদিন আশফা আর শুভ্র ভার্সিটিতে আসে। এসে মেহেরাবকে খুজলো কিন্তু পেলো না। আশফা শুভ্রকে বললো -তোমার বন্ধুর তো কোন পাত্তাই নেই। -হয়তো টাকার প্রয়োজন তাই রিকশা চালাচ্ছে। আসছে না ভার্সিটি। -আমার তো মনে হয় না ও তোমাকে বন্ধু মনে করে। শুভ্র অবাক হয়ে -মানে। -খুব সহজ। ওর টাকার প্রয়োজন আমাদের Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব-০৯

লিমন কুহুকে বললো -আরোহীর কি হলো বল তো। -জানি না রে। এরকমটা আমি কখনো ওকে হতে দেখিনি। -যা হবার তো হয়ে গেছে। -আরোহী অনুতপ্ত রে। ক্ষ্যাত ছেলেটার উপর মায়া জন্মে গেছে। আরোহী কেমন চেন্জ হয়ে গেছে। করিম চাচা এগিয়ে এসে -ছেলেটা বস্তিতে থাকাতে আমাদের সবার খুব সুন্দর ভাবেই জীবনযাপন চলছিলো। Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব -১০

শুভ্র আশফা গেইট দিয়ে ঢুকে গাড়িটা থামিয়ে দাঁড়ালো । আরোহী ছুটে এসে অবাক হয়ে চেয়ে পড়লো। আরোহী মুখে হাসি ফুটে উঠলো কারণ মেহেরাব গেইট দিয়ে ঢুকছে। শুভ্র আশফা মেহেরাবের সামনে দাঁড়িয়ে -এতদিন কই ছিলি আসার নাম নেই কোনো। -গ্রামের বাড়িতে গেছিলাম। আব্বু অসুস্থ ছিলো দেখতে। আশফা বলে উঠলো -তাই বলে Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব -১১

অরিন কুহুকে বললো -আরোহী নিশ্চয় নদীর পাড়ে গেছে। -তাই হবে। তবে ওর একা যাওয়াটা ঠিক হয়নি। -চল আমরা যায়। দূরে দাঁড়িয়ে থাকবো না হয়। -হ্যা রে। কুহু অরিন লিমন লোকজন নিয়ে রওনা হলো। মেহেরাব আরোহীকে ডাক্কা মেরে নিচে ফেলে দিলো। মেহেরাব ও কিছুটা ঝুকে পড়ছিলো বলেই গুলিটা মেহেরাবের জামার হাটার Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব -১২

মেহেরাব অবাক হয়ে আরোহীর দিকে চেয়ে পড়লো। আরোহী বলে উঠলো -প্রতিশোধ নিবে বললেই পারতি। এভাবে সুযোগ নিয়ে ধাক্কা মারার কি দরকার ছিলো। মেহেরাব আরোহীর কথা শুনে অবাক হয়ে গেলো। -যা তোকে ছেড়ে দিলাম তবে দ্বিতীয় বার ভূল করতে আসলে তুই আর বাঁচবি না৷ আরোহী চলে যায়। মেহেরাব অবাক হয়ে চেয়ে Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব -১৩

গাড়িটা নেহাদের বাসার সামনে এসে থামলো৷ আরোহী নেহাদের বাসা দেখে চলে গেলো। নেহা মেহেরাবকে নিয়ে ঘরে গেলো। নেহা বললো -এখানে বসো আমি মাম্মিকে ডেকে আনি। -আচ্ছা । নেহা রুমের ভেতর চলে গেলো। মেহেরাব নেহাদের বিশাল বড় বাড়ি দেখে হা করে তাকিয়ে চারপাশ দেখছে। হৃদয় মেহেরাবকে বললো -দোস্ত আমার না ভয় Continue Reading →

গল্পঃ ভালোবাসতে বারণ । পর্ব- ১৮ এবং শেষ

হসপিটালে এপাস ওপাস পায়চারি করছে কেও কেও। কেওবা গালে হাত দিয়ে বসে আছে, চোখে মুখে চিন্তার ভাজ। ফ্লোড়ে শুইয়ে রাখা হয়েছে রিদের লাশটা। তার পাশে মন মরা হয়ে বসে আছে আজমল চৌধুরি। মাঝে মাঝে কেদে উঠছে সে। এতোটা বছর নিজের থেকে দুরে ঠেলে রেখেছিলো রিদকে। তবুও কেনো আজ এতো কষ্ট Continue Reading →

অনুগল্পঃ কারণ আমি ছেলে । মেহেদি হাসান রিয়াদ

বিয়ের বয়স তো পার হয়ে যাচ্ছে বাজান। এবার বিয়েটা করে আমায় একটু শান্তি তো দিতে পারিস। আর কতোদিন এভাবে থাকবি বলতো? মায়ের কথায় কোনো উত্তর না দিয়ে চুপচাপ খাবার ভাচ্ছি আমি। মায়ের সাথে ছোট ভাই রিফাতও তাল মিলাচ্ছে, ,, মা তো ঠিকই বলছে ভাইয়া, সময় তো পার হয়েই যাচ্ছে। আর Continue Reading →

ভাবনায় তুমি । লিখা- মেহেদী হাসান রিয়াদ

শাড়ি ও ভারি গহনা সামনে রেখে বসে আছে রিমা। একটু পরেই এগুলো আকড়ে একটি নতুন সাজে রুপ নিবে সে। বিয়ে বাড়িতে চারপাশে হই হুল্লা থাকলেও রিমার মাঝে ফিনফিনে নিরবতার বিরাজ। এখনো চলছে মনের মাঝে সঠিক সিদ্ধান্তটার খোজ। দুটি ভালোবাসার ঠিক মধ্যখানে বসে আছে রিমা। কোন পথে পা বাড়ানোটা উত্তম তা Continue Reading →

ভাবনায় তুমি । পর্ব-০২

রিমার অতিত নিয়ে মনে কোনো অভিযোগ নেই রিদের। রিমার অতিত কি ছিলো, কেমন ছিলো তার অতিত? যদিও ভালো ছিলোনা তবুও সব মেনে নিতে একবার ভাবলোনা তার ভালোবাসার জন্য। প্রত্যেকেরই একটা না একটা অতিত থাকে। তাই বলে অতিত ভেবে পরে থাকাটা বোকামি। সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখে রিদের মেসেজ। “গুড মর্নিং,,,, Continue Reading →

বৃষ্টি ভেজা রাত । পর্ব- ১৬

ফোনে তীব্র গতিতে বেড়ে চলছে মেয়েটার কান্নার গতি। স্তব্ধ হয়ে আছে রাত। সেই চেনা কন্ঠস্বর অচেনা পরিচয়ে রাতের কানে বেজে উঠতেই চোখের কোনে পানি জমে গেলো তার। কিছু বলছেনা সে, শুধু বর্ষার কান্নার শব্দ গুলো কানে আসছে তার। বর্ষা চোখের পানি মুছে নিজেকে স্বাভাবিক করার চেষ্টা করে। – কেমন আছো Continue Reading →

বৃষ্টি ভেজা রাত । পর্ব- ১৭

রিদকে বিদায় দিয়ে সবাই চলে আসে বাড়ি। রিদ প্রায় সময়ই এই বাড়িতে ছিলো। খুব হাঁসি খুশিই ছিলো সে। কিন্তু হটাৎ এমন কেনো করলো তা সবারই অজানা। রাত সেই আসার পর থেকেই বিষন্ন মনে বসে আছে ঘরে। সেই ছোট বেলা থেকেই একসাথে বড় হয়েছে দুজন। একসাথে কতোই না সময় পার করেছে Continue Reading →

বৃষ্টি ভেজা রাত । পর্ব- ১৮

দুপুর ১টার কাছাকাছি। একটা রিক্সা ডেকে উঠে পরে বৃষ্টি। সূর্যটা প্রায় মাথার উপর। রোদের তাপে যেনো চারদিকে চোখ মেলে থাকাটা কষ্ট কর। বৃষ্টি তাকিয়ে দেখলো রিক্সা ওয়ালা চাচার দিকে। ঘামে চুপচুপে অবস্থা তার। তবুও থেমে থাকছেন না তিনি। গলায় ঝুলে থাকা গামছাটা দিয়ে একটু পর পর মুখের ঘাম মুছে নিচ্ছে। Continue Reading →

গল্পঃ মায়া । পর্ব-০৬

সীমান্ত আর শেফা বেঘোরে ঘুমোচ্ছে। গত রাতের ক্লান্তি আজ রাতের বিশ্রামে হয়তো দূর হবে। সীমান্তের ঘুম ভাঙবে না হয়তো আজ। শেফা বাবাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে আছে। তাকে দেখে মনে হচ্ছে ঘুমের মাঝে সে সুন্দর কোনো স্বপ্ন দেখছে। সেই সুন্দর স্বপ্ন তাকে প্রশান্তির কোনো রাজ্যে নিয়ে গেছে। আর এদিকে শিশির এখনো Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব -১৪

Happy birth day to you Many many happy returns of the day মেহেরাব। মেহেরাব পুরো হা করে পড়লো। শুভ্র আশফা হাসছে। লাল নীল বাতিতে ঘরটা সুন্দর করে সাজানো। সামনে বড় একটা কেক। শুভ্র বলে উঠলো -কেমন দিলাম? মেহেরাব কি বলবে বুঝতে পারছে না৷ ও কখনো কল্পনাও করতে পারিনি এটা হবে। Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব-১৫

কুহু লিমনকে বললো -ওদের কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে। কি করছে এসব। -আমি ও তো কিছুই বুঝতে পারছি না। যতদূর জানি এসব করে ছোট ছেলেমেয়েরা। -তাহলে এরা কেন? আরে ঐ তো আরোহী ও পিছনে কি হলো। -চল তো এগিয়ে দেখি। জোড়ে টানার ফলে পিছন থেকে মেহেরাব টুস করে পড়ে গেলো। Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব-১৬

আরোহী কুহুকে জিঙ্গেস করে -সেদিন নদীর পাড়ে তোরা গিছেলি -হ্যা। -সেখানে কোনো গাড়ি বা লোকেজন ছিলো তুই আমাকে বলিসনি কেন? -ওর ভূলে গেছিলাম। -তুই কি জানিস মেহেরাব আমাকে বাচানোর জন্য ডাক্কাটা মেরেছিলো। গুলিটা ওর হাতের পাশ দিয়ে ঘেঁষে গেছে। -তাহলে মেহেরাব তোকে গাড়িতে করে তোর সাথে। আর লোকগুলোই বা কারা। Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব-১৭

মেহেরাব ঝালে কথা বলতে পারছে না। চোখ লাল মুখ লাল বর্ণের হয়ে গেছে। আরোহী পানি মেহেরাবের দিকে পানি এগিয়ে দিলো। মেহেরাব পানি নিয়ে খেয়ে ফেললো। তবুও জেনো ঝাল কমছে না। আরোহী বলে উঠলো -এসব নাটক না করলে চলতো। মেহেরাব অবাক হয়ে গেলো। কিন্তু কিছু বলতে পারছে না। আরোহী রাগি দৃষ্টিতে Continue Reading →

লেডি কুইন । পর্ব-১৮

মর্জিনা বেগম ভেতর ঢুকে চশমা পড়া লোকটাকে দেখে থ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আর বলে উঠলো -তু তু তমি চশমা পড়া লোকটা মুচকি হেসে দিয়ে -হুম আমি। কত বছর পর তোমার সাথে দেখা হলো। -তুমি জানতে আগে থেকে। -হ্যা। তাই তো তোমার সাথে ডিলটা করতে চেয়েছি। মর্জিনা বেগমের মুখে হাসি ফুটে Continue Reading →

এ শহরে বৃষ্টি নামুক । পর্ব-০২

মেঘেদের গুড়ুম গুড়ুম গর্জন শোনা যাচ্ছে।পলিথিনের পর্দাটা একটু সরিয়ে লোহার শিঁকগুলোয় একহাত রেখে বাইরে তাকিয়ে আছে রাত্রি।বৃষ্টির ছঁটায় একটু আধটু ভিজে উঠছে হাত-মুখ।নিভ্রান হাল্কা কেঁশে গলা পরিষ্কার করলো।মুঠোয় রাখা হাতের বাঁধন ঢিলে করে দিলেও তা ছুটে গেলো না।রাত্রি নিজের অজান্তেই সজোরে খামছে ধরেছে তাকে।মুচকি হাসলো নিভ্রান।চোখ তুলে রাত্রির মুখের দিকে Continue Reading →