আমি যেপথে হাঁটি

আমি যে পথে হাঁটি

আমি যে পথে হাঁটি, সে পথ বন্ধুর কাকুরে ঊষর !
ভাত নেই, জল নেই, ছায়াশুন্য আছে কণ্টকাকীর্ণ পাথর ।

আমি যে পথে হাঁটি, ডাঙা নেই কোনোখানে ;
কোমর পর্যন্ত জল , হাঁটু তলানো বোঁদ সেখানে ।

মুহুর্মুহু ঢেউয়ের গর্জন , ডিঙি নৌকা ভাঙে যদি !
তবুও যেতে চাই আমি- সম্মুখে উত্তাল অদম্য নদী ।

আমি যে পথে হাঁটি , পুব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ ;
এলোমেলো, অনির্দিষ্ট দিক এখনো বাকি, সুধিব ঋণ ।

আমাকে দেখে, এমনই ভাবে পশু-পাখি, হাসে ফিক ফিক ;
গাছপালা রাস্তাঘাট , বলে – তোমাকে ধিকধিক , শতধিক ।

তবু একদিন সব বঞ্চনা- উড়িয়ে দেব ফুৎকারে ;
তোমাদের সকল পরিহাস , ভাসিয়ে দেব ওই সাগরে ।

আবার আসিব ফিরে, বরষায় শস্য বীজ হাতে, রামধনু রঙ সাথে ;
সেই পথে, সেই পথেই- আমি হেঁটেছিলাম যে পথে 

আমি যে পথে হাঁটি, সে পথ বন্ধুর কাকুরে ঊষর !
ভাত নেই, জল নেই, ছায়াশুন্য আছে কণ্টকাকীর্ণ পাথর ।

আমি যে পথে হাঁটি, ডাঙা নেই কোনোখানে ;
কোমর পর্যন্ত জল , হাঁটু তলানো বোঁদ সেখানে ।

মুহুর্মুহু ঢেউয়ের গর্জন , ডিঙি নৌকা ভাঙে যদি !
তবুও যেতে চাই আমি- সম্মুখে উত্তাল অদম্য নদী ।

আমি যে পথে হাঁটি , পুব-পশ্চিম, উত্তর-দক্ষিণ ;
এলোমেলো, অনির্দিষ্ট দিক এখনো বাকি, সুধিব ঋণ ।

আমাকে দেখে, এমনই ভাবে পশু-পাখি, হাসে ফিক ফিক ;
গাছপালা রাস্তাঘাট , বলে – তোমাকে ধিকধিক , শতধিক ।

তবু একদিন সব বঞ্চনা- উড়িয়ে দেব ফুৎকারে ;
তোমাদের সকল পরিহাস , ভাসিয়ে দেব ওই সাগরে ।

আবার আসিব ফিরে, বরষায় শস্য বীজ হাতে, রামধনু রঙ সাথে ;
সেই পথে, সেই পথেই- আমি হেঁটেছিলাম যে পথে