কথোপকথন বিচ্ছেদ

-কি?

-এমনি।

-পলক ফেলতে জানেন না?

-বিলোকন করছি।

-কাকে?

-আপনি যাকে করেন।

-হাসালেন!

সে অলিতে গলিতে হাঁটে না।

-আপনার চোখ এতো নিম্ন?

-অনুভূতিটাই জঘন্য!

-তাও,যদি মন নড়ে,যদি দেহ গলে!

-তারপর?

-তাকে সিন্ধুক বন্দী করে প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে দিবো।

আপনার নগরে পা দিতে চাইলেও পারবে না।

-অযৌক্তিক আলাপ!

আপনি বুদ্ধিমতী। আপনার বোঝা উচিৎ মানুষ আর বস্তুর পার্থক্য।

মানুষ কোনো সাবজেক্ট নয়,বছর শেষে নতুন অধ্যায় আসবে।

-নতুন অধ্যায় একেবারেই আসে না?

-শব্দে শব্দে ঘাটাঘাটি করা বাজে অভ্যাস,বিরক্তিকর এবং অপছন্দনীয়।

-ক্ষণিক ক্ষণিক রেগে যাওয়া আত্মার জন্য ভালো।

-কিছু মানুষ এমন স্থানে থাকে, যার বাসিন্দা আর কেউ হতে পারে না।

-আপনি হচ্ছেন ফিফটি ফিফটি ।

মানে হলো, মন -মাথা দুই দিয়েই কাজ করেন।

সচরাচর এমন ছেলে মানুষ কম চোখে পড়ে!

-আমার সাথে বসে আছেন কেন?

– নদীর উপরে দাঁড়িয়ে থাকবো?

-চাঞ্চল্যকর ব্যবহার!

-বাক্যে বাক্যে চটে যাওয়াও তেমন।

-কথা বাড়াতে কেমন লাগছে?

-দারুন! মোরগের যেমন ডিম পারতে আনন্দ তেমন।

-বিদ্রুপ! একা থাকতে চাচ্ছি।

-আমিও।

-তবে তাই করুন। বসে কেন?

-আমি প্রস্থান করলে,

আপনিই সঙ্গী হন।

আপনাকে আমি নিঃসঙ্গ করি কি করে?

-আবারও হাসালেন! নিঃসঙ্গতায় নিযুতকাল আছি,

একবেলা খেয়ে উপোসে বাঁচি।আজ তবে আসি?

“কথোপকথন বিচ্ছেদ”