উত্তম চরিত্রের সওয়াব ও মর্যাদা

উত্তম চরিত্রের সওয়াব ও মর্যাদা। °ইসলামের দৃষ্টিতে সর্বোত্তম হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হচ্ছে উত্তম চরিত্র। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) বলেন, ❛তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বোত্তম যার চরিত্র সর্বোত্তম।❜ –(বুখারি-(৩৫৫৯)। ইসলামে উত্তম চরিত্রের বিশেষ গুরুত্ব ও ফজিলত রয়েছে। মুমিনদের জন্য বিভিন্ন গুণাবলিতে চরিত্রকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করা ঈমানের Continue Reading →

এটা মৌমাছির ছবি, মাইক্রোস্কোপে জুম তোলা সম্ভবত

[সুবহানাল্লাহ ,ওয়ালহামদুলিল্লাহ্] এটা মৌমাছির ছবি, মাইক্রোস্কোপে জুম করে হাই রেজুলেশন ক্যামেরায় তোলা হয়েছে সম্ভবত। পবিত্র কোরআনে ‘নাহল’ নামে একটি সূরা অবতীর্ণ হয়েছে। এই সূরাটি পবিত্র কোরআনের ১৬তম সূরা। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে এবং এর আয়াত সংখ্যা ১২৮টি। এই সূরার ৬৮ আয়াতের থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে। আমরা আগে জানতাম মৌমাছি Continue Reading →

দীর্ঘ সময় জিকির করা থেকে ওজনে ভারী ৪ টি বাক্য ৩ বার পাঠ করা

জুয়াইরিয়া (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) একদা সকালের নামায পড়ে তাঁর কাছ থেকে উঠে বাইরে গেলেন। তিনি তখন তাঁর মসজিদ (নামাযের স্থানে) বসে ছিলেন। তারপর নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চাশ্‌তের সময় ফিরে এলেন । তখনও তিনি (জুয়াইরিয়া) বসে ছিলেন। তাই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) জিজ্ঞেস Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -৩১

“জিনাত এই হলো আমার মা আর মা ও জিনাত।” মুগ্ধের কথায় জিনাত ওর মায়ের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল, “আসসালামু আলাইকুম আন্টি। কেমন আছেন?” মুগ্ধের মা এসে জিনাতের পাশে বসে বললেন, “ওয়া আলাইকুমুস সালাম মা, ভালো আছি আমি।” মুগ্ধের মা আবারো মুগ্ধের দিকে জিজ্ঞাসুক দৃষ্টিতে তাকায়। মুগ্ধ মাথা চুলকে বলল, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -৩০

বিকেল ৪ টা, জিনাতকে আজ মুগ্ধ কোনো সারপ্রাইজ দিবে বলে ডেকেছে। সোনালী পাড়ের বেগুনী সুতির শাড়ি পড়েছে সে, মেকআপ করেছে বেশ, ঠোঁটের লাল লিপস্টিকটা জানান দিচ্ছে ও আজ বিশেষ কোনো উদ্দেশ্যে বেরোচ্ছে৷ কারণ সাধারণত জিনাত গোলাপী লিপস্টিক ব্যবহার করে। বেরোনোর সময় জেরিনের সামনে পড়ে জিনাত৷ জেরিন ওর আপাতমস্তক দেখে বলে, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৯

রাত ১০ টা, রাতের খাবার খেতে ডাইনিং এ এসেছে তুবা, যদিও সে আসতে চায়নি তাজিমের ভয়ে। কিন্তু এসেই দেখে তাজিম চুপচাপ চেয়ারে বসে আছে। ওর ঠোঁটের কোণে ও গালে এখনো লাল ফোলা অংশটা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। অফিস থেকে বাসায় আসার পর কারো সাথে কোনো কথা বলেনি তাজিম, কারো সাথে রাগও Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৭

তুবাকে স্কুটি কিনে দিয়েছে তাজিম। কিছুদিন আগেই বোনের আবদার মেটাতে স্কুটি কিনে দেয় ওকে। এই স্কুটি এখনো গ্যারেজে পড়ে আছে। কারণ তুবার বিরক্তি, স্কুটির উপর খুব বিরক্ত সে। ও চেয়েছে গোলাপী স্কুটি কিন্তু তাজিম ওকে লাল টুকটুকে রঙের স্কুটি কিনে দিয়েছে, যা ওর তেমন একটা পছন্দ হয়নি। ভার্সিটি থেকে ফিরে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৮

সকালের নাস্তা করতে বসেছে আলিয়ার ও পরিবারের সবাই৷ আছিয়া খাবার পরিবেশন করছেন। আলিয়ারের কাছে গেলে আলিয়ার বলল, “তুমিও বসে পড়ো আম্মু।” “হুম, বসবো।” সবাইকে রুটি ও সবজি দিয়ে এসে আলিয়ারের পাশে বসে আছিয়া। আছিয়া ওকে বলল, “মুগ্ধের আম্মুর সাথে আর কোনো কথা হয়েছিল?” মুগ্ধের নাম শুনেই একবার আছিয়ার দিকে তাকায় Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৬

বেলা ১২ টা, সফলভাবে অস্ত্রোপচার শেষ হয় আলিয়ারের। আছিয়া হাসপাতালে আসার পর থেকে কান্না করেই যাচ্ছে। ইব্রাহিম উনাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেও ব্যর্থ। কি করে সান্ত্বনা দিবে? মায়ের মনকে শান্ত করা কি এতোই সহজ? ১২:৩০ টার দিকে আলিয়ারকে অবজারভেশন রুমে নেয়া হয়। এখন থেকে ৭২ ঘন্টার অবজারভেশনে থাকবে আলিয়ার। আছিয়া, Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৫

সন্ধ্যা থেকেই কোমড়ে ব্যথা শুরু হয়েছে আলিয়ারের। খুব একটা গুরুত্ব সে এবারেও দেয়নি। রাত ১১ টার দিকে রাতের খাবারের পর ডাইনিং টেবিলে উঠেই প্রচন্ড ব্যথায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। জেরিন ওকে দেখে চিৎকার করে উঠে, “জিনাত আপু, এখানে আসো।” জিনাত রান্নাঘরে ছিল, দৌড়ে এসে আলিয়ারকে দেখে ভয় পেয়ে যায়। জিনার ওর Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৪

রাত ২ টা, ছাদে বসে আছে মুগ্ধ, জিনাতের সাথে ফোনে কথা বলছে। সন্ধ্যায় জিনাতের বলা কথাটা কিছুতেই ভুলতে পারছে না মুগ্ধ। জিনাত আলিয়ারকে বিয়ে করতে চেয়েছিল, এটা মেনে নিতেই কষ্ট হচ্ছে মুগ্ধের। “সব কষ্ট আমার জন্য কেন জিনাত? বলতে পারবে এর কারণটা?” “মুগ্ধ, একটু বুঝতে চেষ্টা করো প্লিজ। তুমি বিষয়টাকে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২৩

পরেরদিন দুপুরে, আলিয়ার ডায়ালাইসিস করে বাসায় এসেছে। কাগজপত্রগুলো বেডসাইড টেবিলের উপর রেখে ফ্রেশ হতে ওয়াশরুমে যায়। মানসিকভাবে খুব একটা শক্ত অবস্থানে নেই সে। আলিয়ার ওয়াশরুমে যাওয়ার পর জিনাত রুমে আসে। জিনাত মূলত এসেছে আলিয়ারের রুম পরিস্কার করার জন্য। বিছানা গুছিয়ে টেবিলে হাত যাওয়ার পরই ডাক্তারি কাগজপত্র হাতে পড়ে ওর। কাগজগুলো Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২২

দুইদিন পর, ঘড়িটা জানান দিচ্ছে বিকাল ৫ টা। আলিয়ার আজ নিজের রিপোর্টগুলো নিয়ে ডাক্তারের কাছে এসেছে। ডাক্তার ওর রিপোর্ট দেখেই মুখ কালো করে ফেলে। আলিয়ার ডাক্তারের চিন্তিত মুখ দেখে জিজ্ঞাসা করে, “কি হয়েছে, স্যার?” ডাক্তার একবার ওর দিকে তাকিয়ে তারপর রিপোর্টগুলো টেবিলের উপর রেখে বলল, “আমি যা বলবো তা শুনার Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২১

রাত আটটা, মুগ্ধের বাসায় এসে উপস্থিত হয়েছে জিনাত। মুগ্ধ এখনো বাসায় এসে পৌঁছায়নি। দরজার সামনের তালা দেখে জিনাত চুপচাপ দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকে। জিনাতের হাতে একটা ব্যাগ, তাতে করে মুগ্ধ জন্য খাবার নিয়ে এসেছে সে। কিছুক্ষণ পর প্রত্যাশা কল করে ওকে। রিসিভ করে বলে, “আমি ফ্ল্যাটের সামনে দাঁড়িয়ে আছি।” প্রত্যাশা Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -২০

বিকাল ৩ টা, তুবা মাত্রই দুপুরের খাবার খেয়ে রুমে আসলো একটু ঘুমানোর জন্য। এমন সময় ওর ফোনে একটা আননোন নাম্বার থেকে কল আসে। তুবা সাতপাঁচ না ভেবে রিসিভ করে নেয়, “আসসালামু আলাইকুম, কে বলছেন?” অপর পাশ থেকে এক নারীর কণ্ঠস্বর ভেসে আসে, “ওয়া আলাইকুমুস সালাম, তোমার নাম কি?” কিছুটা হকচকিয়ে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -১৯

ফজরের নামাজের পর জিনাতের দেয়া চিঠিটা পড়তে বসেছে মুগ্ধ। একজন বিবাহিত মেয়ে ওকে ঠিক কি কারণে চিঠি দিবে তাই ওর মাথায় ঢুকছে না। কিছুটা বিরক্তি নিয়েই চিঠির খাম খুলে সে। চিঠিটা পড়তে শুরু করে, “আমার মুগ্ধতা, প্রথম কাউকে এভাবে ৯০ দশকের মতো চিঠি লিখলাম। আপনার নামের শেষে তা যোগ করে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -১৮

৮ দিন পর, মুগ্ধ দেশে এসেছে গতরাতে। রাত ২ টায় প্লেন ল্যান্ড করেছে আর বাসায় এসেছে ভোর ৪ টায়। ঘড়িতে সকাল ৭ টা এখন আরামে ঘুমাচ্ছে ও। বাসার কেউই ওকে বিরক্ত করছে না। মুগ্ধের মা রান্নাঘরে ছেলের পছন্দের খাবার বানাতে ব্যস্ত। এমনসময় বাসার কলিং বেল বেজে উঠে। মুগ্ধের মা শুভকে Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -১৭

সকাল ৭:১৫, আলিয়ার অফিসে যাবে, তাই রেডি হয়ে নাস্তা করার জন্য ডাইনিং এ যায়। কাল ঠিকমতো অফিসে কাজ করেনি তাই আজ তাড়াতাড়ি অফিসে যাবে সে। আছিয়া খাবার সার্ভ করছে। জেরিন রেডি হয়ে এসে তাড়াহুড়া করে খেতে বসে বলে, “তাড়াতাড়ি খাবার দেও, চাচী আম্মু।” আছিয়া খাবার দিতে দিতে বলে, “এতো তাড়াহুড়ো Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -১৬

একমাস পর, মুগ্ধ একটা বিশেষ মিটিং শেষে বেরিয়ে আসে। এখনো সে অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থান করছে। অনেক চেষ্টা করেও এখনো এখানে স্থায়ী হতে পারেনি। তবুও সে চেষ্টা করেই যাচ্ছে, হাল ছেড়ে দেয়ার পাত্র মুগ্ধ নয়। শুধু জিনাতকেই ছেড়ে দিয়েছে বাকি সবকিছু অর্জন করে নিয়েছে। বাসার দিকে যাচ্ছে সে। যতদিন এখানে থাকবে ততদিন Continue Reading →

শেষ বিকেলের রোদ । পর্ব -১৫

হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছে জিনাত। ধীরে ধীরে চোখ খুলে সে। সুলতানা ওর পাশে বসে আছে, একবার মায়ের দিকে তাকিয়ে আবারো চোখ বন্ধ করে। সে কোনমতেই চোখের পাতা খুলে রাখতে পারছে না, কি করে পারবে? আলিয়ারের অপমানে আর নিজের প্রতি ঘৃণা থেকে নিজেকে শেষ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল সে। অনেক ভেবেছে, অনেক, Continue Reading →