Breaking News

কেমিস্ট্রি ম্যাডামের সাথে প্রেম || পর্ব -০২

আমিঃ আচ্ছা আপনি কি সিঙ্গেল?
ম্যামঃ তা জেনে তোমার লাভ কি?
আমিঃ নেই বাট এমনিই। বলেন.
ম্যামঃ তোমার কি চোখ নেই নাকি?
আমার প্রোফাইল দেখোনা?
আমিঃ দেখছি বাট, ফেসবুকে তো মেরিড রাও সিঙ্গেল লিখে তাই।
ম্যামঃ ও আচ্ছা। বাট আমি নই।
.
মেহরিন ম্যাম ও আমাকে চিনতে পারেনি কারন আমার আইডিতেও আমি পিক দেইনি। আর ওই আইডি টা জাস্ট ম্যাডামের সাথে চ্যাটিং এর জন্যই খুলেছি।
.
৪ দিন পর
.
ম্যামঃ হাই
আমিঃ হ্যালো।
ম্যামঃ ভালো আছো?
আমিঃ হুম ভালো, আপনি?
ম্যামঃ এইতো ভালো।
আমিঃ ডিনার করছেন?
ম্যামঃ না….. তুমি।
আমিঃ করলাম একটু আগে.
ম্যামঃ কিসে পড় তুমি?
আমিঃ অনার্স থার্ড ইয়ার।
ম্যামঃ আইডি তে পিক দাও নি কেন?
আমিঃ এমনি ভালো লাগে না……
আপনি দেন নি কেন??
ম্যামঃ আমার ও ভালো লাগেনা।
আমিঃ ও তাই বুঝি.
ম্যামঃ প্রেম টেম কিছু করো?
আমিঃ কেন বলেন তো??
ম্যামঃ এমনি, অনার্সে পড় তাই জিজ্ঞেস করলাম।
আমিঃ নাহ করিনা..
.
এভাবে মেহরিন ম্যাডামের সাথে আমার বেশ ভালো একটা বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। উনি আমার সাথে সব শেয়ার করতেন ভালো লাগা না লাগা এবং উনি
আমাকে তার সমবয়সী ভেবে অনেজ ফ্রিলি কথা বলতেন। যদিও আমি জানতাম যে উনি আমার
ম্যাডাম। বাট উনি কখনো জানতেন না যে আমি উনারি ছাত্র।
আমি যদিও ইন্টার ফ্রার্স্ট ইয়ারে পড়ি বাট উনাকে বলেছি অনার্সে পড়ি। সব মিলিয়ে আমারো টেনশন হতে লাগলো।
যদি উনি কখনো যেনে যান যে আমি মিথ্যা পরিচয়ে উনার সাথে চ্যাটিং করি। সেদিন কি হবে…..
.
এভাবে রাতারাতি ম্যাডামের সাথে আমার চ্যাটিং হতো।
.
কিছুদিন পর
আমিঃ হাই কেমন আছেন??
ম্যামঃ ভালো, তুমি??
আমিঃ এইতো ভালো।
ম্যামঃ আচ্ছা জানো আমার ক্লাশের একটা স্টুডেন্ট খালি আমার দিকে ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে।
আমিঃ ও মনে হয় আপনাকে লাইক
করে…..
ম্যামঃ ধুর কি বলো, আমি তো ওর
টিচার।
আমিঃ আমি তাই বলে কি লাইক
করতে
পারেনা।
ম্যামঃ সেটা ও ঠিক…………
আমিঃ ও প্রেম করতে চায় আপনার সাথে
তাই হয়তো এভাবে তাকিয়ে থাকে….
ম্যামঃ ধুর কি যে বলো তা হবে কেনো??
আমিঃ হাসির ইমো দিলাম।
মেহরিন ম্যাডামঃ আচ্ছা তোমার একটা ফটো দিবা? যদি কিছু মনে না করো। তোমাকে দেখতে খুব ইচ্ছে করছে আমার….
.
আমার মাথা তো পুরা হিট এটা কি বলে.. যদি পিক দেই কি হবে তখন? যদিও ম্যাডামের আইডিতে পিক ছিলোনা। তবুও আমি পিক চাইনি।
কারন আমিতো উনার সাথে মিথ্যা পরিচয়ে চ্যাট
করতেছি। সো আমি যদি পিক চাই উনিও আমার পিক চাইবেন। বাট আমি না চাইলেও উনি আজ ঠিকি চেয়ে বসলেন। আবশেষে আমি সিদ্ধান্ত নিলাম
যে আমি ম্যাডাম কে আমার পিক দিবো যা হবার হোক। কারন পিক দিলে একটু প্রবলেম হলেও ম্যামের সাথে আমার রিলেশন টা আর একটু ইজি হবে। কিচ্ছুক্ষণ পর ম্যাডামের
ম্যাসেজ…….
.
ম্যাডামঃ কি হলো পিক দাও….
আমি আমার পিক সেন্ড করে দিলাম!!!
ম্যাডামঃ ছিঃ তুমি আমার সাথে এটা করতে পারলে। আমি তো তোমাকে অনেক ভালো জানতাম। এটা বলেই ব্লক করে দিলো আমাকে….
.
পরের দিন ক্লাশে গেলাম। ম্যাম ক্লাশ
নিচ্ছেন কিন্তু আমি প্রতিনিয়ত যদিও ক্লাশের সামনে দিয়ে মানে ম্যামের সামনে দিয়ে ঢুকতাম। বাট আজকে ক্লাশের পিছন দিক দিয়ে ঢুকলাম।
ঢুকে চোরের মত বসে পড়লাম। আজ ম্যামের দিকে তাকালাম না। কোনো দিকেই না। এক দৃষ্টিতে বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে রইলাম।
.
কিচ্ছুক্ষণ পর ম্যাডাম ব্লাকবোর্ডে একটা সমীকরণ তুলে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন। এই তুমি দাড়াও। আমি ভয়ে ভয়ে দাঁড়ালাম। কাল এটা পড়ে আসতে বলেছিলাম পড়েছো? এখন
বলো আমরা কিভাবে এর প্রমান করতে পারি যে সমীকরণটি সিদ্ধ। আমি চুপ করে রইলাম কিচ্ছু বললাম না।
তার মানে কাল তুমি বই ধরোই না।
আর রাতে কি করো চোখ এতো লাল কেন? কাল রাতে আমি বই আর ধরবো কি আমি তো ম্যাডামের সাথে চ্যাটিং এ ব্যাস্ত ছিলাম। আর এটা উনিও জানেন। তবুও শুধু শুধু কেন জিজ্ঞেস করছেন উনিই ভালো জানেন।
ম্যামঃ নেক্সট টাইম পড়া না দিতে পারলে কিন্তু কান ধরে দাড় করিয়ে রাখবো। বসো।
.
৫ দিন পর
.
মেহরিন ম্যাডামের ম্যাসেজ………
ম্যামঃ ওই ছেলে……….. আছো তুমি?
আমিঃ সরি ম্যাম।
ম্যামঃ সরি কেন?
আমিঃ আপনার সাথে এমন করার জন্য।
ম্যামঃ কি রকম…
আমিঃ আসলে আমি জানতাম না এটা আপনার আইডি।
ম্যামঃ মিথ্যা বলবানা একদম। আমি জানি তুমি জেনে বুঝে আমাকে চিনেই এরকম করেছো।
《আমি চুপ করে রইলাম…》
ম্যামঃ কিছু বলছো না যে
আমিঃ সরি
ম্যামঃ ইটস ওকে।
.
ম্যাডামের ইটস ওকে শুনে আমার মনতো খুশিতে নাচতে লাগলো। ম্যাডাম
মাইন্ড না করে বরং সব কিছু এত্ত সহজে নিলেন কেন? কে জানে. তাই আমি আরো সাহস পেয়ে গেলাম।
আমিঃ থ্যাংক ইউ ম্যাম।
ম্যামঃ তোমাকে ব্লক দিছিলাম। বাট ব্লকে রাখতে পারলাম না।
আমিঃ কেন?

No comments