Breaking News

থার্ড আই । তিন নম্বর চোখ । পর্ব -০১



এবার পুজোর ছুটিতে সজয় তার বাড়ির সকলের সঙ্গে জলগাঁও বেড়াতে

গিয়োছিল। জলগাঁওতে ওর মামা চাকরি করেন। স্টেশনের কাছেই তাঁর বাড়ি।

খুব সুন্দর বাড়িটা। সব দেয়ালের রং সাদা, আর দরজা-জানলা গুলোর রং

ফিকে নীল, বাড়ির সামনে বাগান। গেটের দুপাশে ঠিক দারোয়ানের মত

দুটো বড় বড় গুলমোহর গাছ। সোনালী রঙের অজস্র ফুল ফুটে থাকে তাতে ।


সজয় প্রত্যেক বছর পুজোর ছুটিতেই বেড়াতে যায়। সজয়ের বাবা

তো রেলে কাজ করেন, ভাই বেড়াতে বেরুলে ওদের রেলের টিকিটের পয়সা

লাগে না। সুজয়ের বাবার কাছে পাশ থাকে_সেই পাশ নিয়ে ওরা যতদূর

ইচ্ছে যেতে পারে। সেই জন্যই খ্মব দূরে দূরে বেড়াতে যায় ওরা । দিজ্লী

গেছে, দাঁজশলং গেছে, হায়দ্রাবাদে গেছে। সব বারই খুব মজা হয়। িল্তু

এবার যা একটা অদ্ভূত ব্যাপার হয়েছিল, সে রকম আর কখনও হয়নি। তারপর

থেকে সুজয়ের জীবনটাই বদলে গেল।


জলগাঁও জায়গাটাতে এমানতে দেখবার বিশেষ কিছু নেই। কিন্তু মামা-

বাড়ির বাগানটাতে ছু্টো ছুটি করতেই খুব ভালো লাগে। তাছাড়া তার দুই

মামাতো ভাই রাণা আর খোকনের সঙ্গে অনেক দিন পর দেখা হলো। রাণা

আর খোকনের সঙ্গে এর আগে দেখা হয়োছল সেই চার বছর আগে, বড়াঁদর

বয়ের সময়।


সজয়ের নিজের কোনো ভাই নেই। বড়াদর বিয়ে হয়ে গেছে। ছোড়দির

সঙ্গে আগে সজয়ের খুব ভাব ছিল, কিন্তু ছোড়াঁদ কলেজে ভীর্ত হবার

পর থেকে সজয়ের সঙ্গে আর কানামাছিও খেলে না, ক্যারামও খেলতে চায়

না। এবার বেড়াতে এসে সুজন তার খেলার সঙ্গী পেয়েছে। রাণা সজয়ের

সমান বয়েসী, আর খোকন ওদের চেয়ে দেড় বছরের ছোট। খোকনের বয়েস

এখন এগারো ।


চলবে...

No comments