Breaking News

রিক্সাওয়ালা যখন সাকসেসফুল বিজনেসম্যান । পর্ব -০৪



তাহলে কি আমি এইভাবে শুয়ে শুয়ে তোদের কষ্ট দেখবো বল,

হিয়া:-তোমার কিছু করতে হবে না,
আমার স্কর্লাশিপের টাকা দিয়ে এই চেন আর দুল বানিয়ে ছিলাম,এটা বিক্রি করে যা পাবো সেটা দিয়েই কিছু দিন চলে যাবে,
না তোমার জিনিস বিক্রি করতে হবে না,ওটা তোমার সখের জিনিস,
হিয়া:-না খেয়ে ধিরে ধিরে মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছে যাচ্ছি আর তুমি সখ নিয়ে পরে আছো,
হিয়া আর কোনো কথা না শুনেই চলে যায়,
আমার চোখে যে আজ বাধা মানছে না,
এমনি এক হতবাগা স্বামী আমি,
ছি ধিক্কার জানাই এই জিন্দিগী কে,
কিছু সময় পরে হিয়া বাজার ও ওষুধ নিয়ে চলে আসে এইভাবে চলে যায় আরো তিন দিন,
এখন আমি সুস্থ কিন্তু কাজ করার মতো শক্তি এখনো আসেনি,এইদিকে হিয়ার গহনা বিক্রির টাকা ও শেষ,
হিয়া:-এখন কিভাবে চলবো,
সব কিছু তো শেষ হয়ে গেছে,এখন থেকে একমুঠ চাউল ও হারিতে নেই,
আমি যেয়ে দেখি কিছু একটা ব্যবস্থা করতে পারি নাকি,
হিয়া:-হ তুমি এই দুর্বল শরীর নিয়ে রাস্তায় গিয়ে একটা এ্যাক্সিডেন্ট করে বসো তখন ভালো হবে,
তাহলে এখন কি হবে সেইটা বলো,
এইভাবে তোমাদের কষ্ট দেখতে আর আমার ভালো ও লাগছেনা,
হিয়া:-কি করবো কিছুই বুঝতে পারতাছিনা,
পাঁচ টা টিউশনি নিয়েছি সেখান থেকেও অগ্রিম টাকা আনা শেষ,
আমি বলি কি এইভাবে তোমাদের কষ্ট দেখার থেকে আমাকে একটু বিষ এনে দাও খেয়ে মরে যায় তাহলে আর কষ্ট দেখতে ওহবে না আর কষ্ট পেতেও হবে না,
হিয়া:-তুমি না হয় বিষ খেয়ে মারা যাবা কিন্তু আমাদের কি হবে,
বলো,খুব তো বলতে আল্লাহর উপর ভরসা করো আজ নিজেই ভেঙ্গে পরেছো,
শোনো আল্লাহ আমাদের জন্য কোনো না কোনো একটা রাস্তা ঠিকই রেখেছে বেঁচে থাকার জন্য,
এইসব বলতেছে আর ঘরের পুরাতন সব কিছু গুছাচ্ছে,ঠিক তখনই একটা বড় মাটির পাত্র দেখতে পাই যার মুখ আটকানো,

হিয়া:-আচ্ছা এইখানে এটা পাত্রের মতো মুখ আটকানো এটা কি,
ঐ ঐ ঐটা তুমি ধরবেনা বলে দিলাম,
হিয়া:-বৃষ্টি তোমার ভাই এটা ধরতে মানা করতেছে কি এমন আছে যে আমি ধরতে পারবো না শুনি,
বৃষ্টি:-ভাবি আমি যখন ক্লাস অনে পড়ি তখন থেকেই দেখি ভাইয়া ঐ হারিতে প্রতিদিন কাজ থেকে এসে টাকা জমা রাখে,
কিন্তু আমাকেও ধরতে দেইনা,
হিয়া:-কি বলো এইসব,
হুম বৃষ্টি ঠিকই বলেছে,
আমি বৃষ্টির বিয়ের জন্য টাকা জমা করি জানি কয়টাকা হয়েছে,
হিয়া:-আচ্ছা ঐটা ভেঙে দেখি যদি আমাদের খাবারের কিছু ব্যবস্থা করা যায় টাকা দিয়ে,
না মটেও না ঐ টাকা আমি বৃষ্টির বিয়ের জন্য জমা করতেছি,
ঐটা ভাঙ্গা যাবেনা,
হিয়া:-চুপ থাকো পেটে ভাত নেই আর পরে আছে বিয়ে নিয়ে,
বেঁচে থাকলে টাকার জোগাড় হয়েই যাবে আগে তো খেয়ে বাঁচো বুঝলে,
তখন হিয়া বৃষ্টি কে সাথে করে মাটি থেকে ঐ হারিটা তুলে ভেঙে অবাক হয়ে যায়,
কেননা শুধু শুধু টাকা আর টাকা,
পাঁচ টাকা থেকে শুরু করে একহাজার টাকার নোটে ভরা,
হিয়া:-এতো টাকা,
বৃষ্টি:-ভাবি গুণে দেখি কতো টাকা আছে,
হিয়ার আর বৃষ্টি আস্তে আস্তে পাক্কা চার ঘন্টা সময় ব্যয় করে টাকা গণনার কার্য শেষ করে,
ঐ হিয়া কতো টাকা হলো,

মনে হয় দশহাজার হয়েছে,তাইনা,
হিয়া:-কি বলো তুমি এইখানে টাকা আছে দশ লাক্ষ পঞ্চাশ হাজার একশত পাঁচ টাকা,
টাকার পরিমাণ শুনেতো আমার হার্ট এ্যাটাক হবার মতো অবস্থা এতো টাকা,বাবারে বাবা
হিয়া:-হুম এতো টাকা থাকতে আমরা না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি ভাবা যায়,
এই শোনো এই টাকা দিয়ে কি করা যায়,
হ্যা তাইতো এই টাকা দিয়ে কি করা যায় সেটা তো ভাবার বিষয়,
তবে তোমরাও ভাবো এমন কিছু করতে হবে যার মাধ্যমে আল্লাহ রহমতে আমাদের কষ্টের দিন শেষ হয়,
হিয়া:-হুম তুমি ঠিকই বলেছো,
বৃষ্টি:-ভাবি আমার মাথায় একটা আইডিয়া এসেছে,যদি অনুমতি দাও তো বলবো,
হুম বোন আমার জলদি বল তোর কথাটা আগে শুনি,
বৃষ্টি:-আমি ও ভাবি দুজনেই তো সেলাই মেশিনের কাজ জানি,
হিয়া:-হুম জানিতো কিন্তু সেটা দিয়ে কি হবে,
উম হিয়া আগে তো বৃষ্টির কথা শেষ করতে দাও তাহলে তো বুঝতে পারবে ও ঠিক কি বলতে চাই,
বৃষ্টি:-দেখো সিনেমায় দেখেছি আমাদের বিখ্যাত অভিনেত্রী সাবানা পারভিন কিন্তু সেলাই মেশিন দিয়েই তার ভাগ্য পরিবর্তন করেছিলো,
আমরাও না হয় আল্লাহ রহমতে সেই কাজ করেই নিজেদের ভাগ্য কে পরিবর্তন করার জন্য কাজ করবো,
তুই কথা একেবারেই ফেলে দেওয়ার মতো বলিস নাই,
হিয়া:-তাহলে আমি বলি কি,
দশটা সেলাই মেশিন কেনে আনো,আমি বৃষ্টি কাজ করবো পরে এখানের অনেক মেয়েই আমাদের কাজ দেখে কাজ করতে আগ্রহি হবে,
আর তুমি ঘুরে ঘুরে কাপরের অর্ডার আনবে,

হ্যা ঠিক বলেছো
এইভাবে আমরা কাজ করতে শুরু করলাম,
আমি লোকের ধারে ধারে ঘুরে কাপড় বানানোর অর্ডার নিয়ে আসি আর হিয়ারা কাজ করে,
ও আপনাদের তো বলা হয়নি, এখন হিয়া আর বৃষ্টি বাদে আরো পাঁচ জন মেয়ে কাজ করে,
একদিন রাস্তা দিয়ে আসতাছি,
ঠিক তখনই দেখতে পাই সামনে এক লোক কি নিয়ে যেনো কথা কাটা কাটি করতেছে,
তাই আমি সেখানে এগিয়ে যায়,
আচ্ছা আপনেরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে এভাবে ঝগড়া করতেছেন কেন,
আমার কথা শুনে কোট প্যান্ট পরা লোকটা মানে মানিক বলে,
মানিক:-আর বইলো না,
এই লোকের কাছে আমি তিনশো পিছ জামা বানাতে দিছি কিন্তু সে কিছুতেই বানিয়ে দিচ্ছে না শুধু ঘুরাচ্ছে আমাকে,
ওহহহহ আচ্ছা,
দেখেন তার মনে হয় কোনো সমস্যা হয়েছে,
তাই আপনার কাপড় গুলা বানিয়ে দিতে সমস্যা হচ্ছে,
মানিক:- সমস্যা হলে সেটা আগেই বলতে পারতো এখন আমার সাত দিনের ভিতরে এই জামাগুলো চাই,
না হলে আমার কপালে খারাপি আছে ,
আচ্ছা আমি বলিকি
আমি ও এইভাবে অর্ডার নিয়ে পোশাক বানানো কাজ করে থাকি যদি আপনে একটু ভেবে দেখতেন,
মানিক:-তুমি সেলাইয়ের কাজ করো নাকি,
হুম আমি তো করিনা,
আমার বাসাই কাজ করাই লোক আছে,
নতুন শুরু করেছি,
মানিক:-আচ্ছা দেখোতো এই এই ডিজাইনে কাজ করতে পারবে নাকি, যদি পারো তাহলে তোমাকে এক হাজার পিছ কাপড়ের অর্ডার দিবো, যদি কাজ ভালো দেখাতে পারো তাহলে আরো বেশি বেশি কাজ আমি তোমাকে এনে দিবো,

ডিজাইন দেখে তো আমি অবাক,
কেননা হিয়া রাতে আমাকে এই রকম ডিজাইনে কাপড় বানাবে বলেছিল,
হ্যা আমি এই কাজ করতে পারবো,
মানিক:-আমি তোমাকে প্রতিটি ড্রেসের জন্য পাঁচশত বিশ টাকা করে দিবো,
তাহলে একহাজার পিচের মুজুরি আসে পাঁচ লাক্ষ বিশ হাজার টাকা, এইনাও বিশ হাজার টাকা অ্যাডভান্স,
আর তোমার ঠিকানা দাও এখনি সব মাল ছামানা তোমার বাড়িতে পৌঁছে যাবে,
তারপর আমি তাকে ঠিকানা দিয়ে ধন্যবাদ জানিয়ে খুশি মনে বাড়িতে চলে আসলাম,
হিয়া:-কি সাহেব আজকে এতো খুসি খুসি কেনো মনে হচ্ছে আপনাকে,
আমি হিয়াকে জড়িয়ে ধরে কোলে তুলে নিলাম,
সবাই চেয়ে আছে আর মিটি মিটি হাসতাছে,
হিয়া তো লজ্জায় চোখ বন্ধ করে আছে,
হিয়া:-এই তুমি কি লজ্জা শরমের মাথা খাইছো নাকি হুম,দেখছো না সবাই ফ্রি তে বাংলা সিনেমা দেখতেছে,
হিয়া জানো আমি আজকে অনেক অনেক খুশি,
বৃষ্টি:-ভাইয়া এতো খুশির কারণ কি সেটাতো বল আগে,
আজকে একহাজার পিচ কাজের অর্ডার পেয়েছি,
দশদিনে ডেলিভারী দিতে হবে,
বিশ হাজার টাকা অ্যাডভান্স ও দিছে,
হিয়া:- কি সত্যি,
হুম আর মজার বিষয় হলো কাল রাতে তুমি যেই রকম ডিজাইন বলেছো এই কাজ টা সে রকমেরই ডিজাইন,
হিয়া:-তাহলে তো আরো ভালো হবে,
আমি ঠিক মতো কাজ করতে পারবো,
কিছু সময় পরে সব মালছামানা দিয়ে কাজ বুঝিয়ে চলে গেলো তারা,
আমিও সবাই কে কাজ বুঝিয়ে দিলাম,
কাজ চলছে দ্রতগতিতে,
সবাই নিজের মতো করে কাজ করতেছে,
নয়দিন পরে সকালে,

হিয়া:-আজকে তো কাপড় ডেলিভারী দিতে হবে,
কিন্তু সব গুলোতো শেষ করতে পারলাম না সারাদিন করলিও একশত পিছ থেকেই যাবে,
আরে তুমি কোনো চিন্তা করিও না,
আজকে সবাই যদি একটু বেশি কাজ করে তাহলে সব হয়ে যাবে, মন দিয়ে কাজ করো,
বৃষ্টি:-ভাইয়া ঠিক বলেছে ভাবি আমরা কিছু সময় বেশি কাজ করলে সব শেষ করতে পারবো,
আজকে সবার পারিশ্রমিক একটু বেশি দিবে,
সবাই বলল তাড়া কাজ করবে কেনো এই কাজের মাধ্যমেই কারো পড়ার খরচ কারো বা সংসারের খরচ চলে,সবাই অনেক পরিশ্রম করে রাত নয়টার মধ্যে সব কাজ শেষ করলো,
সব জামা একসাথে করে আমি সকালে গাড়ি দিয়ে ডেলিভারী দিতে যায়,
মানিক:-আরে রাসেল তুমি দশদিনে সব কাজে শেষ করেছো,
হুম অনেক কষ্ট করতে হয়েছে সবাইকে,
খুব খাটিয়েছি তাদের শুধু মাত্র আপনার এই অর্ডারের কাজ টা সম্পূর্ণ করতে,
মানিক:-শুনে খুবই খুশি হলাম,
আর কাজগুলো খুবই নিখুঁত ভাবে করেছে,
এই নাও তোমার বাকি টাকা,
আর আরো দশ হাজার পিছের অর্ডার নিয়ে যাও,
তোমার কোনো সমস্যা হবেনা তো শেষ করতে
না তা হবে কেনো,
এই অর্ডার পেলে আমি মেশিন আরো বাড়াতে পারবো যা মাধ্যমে আরো মানুষের কর্মের ব্যবস্থা হবে,
মানিক:-দোয়া করি জীবনে অনেক বড়ো হও, সততার সাথে কাজ করো আমার সাপোর্ট তোমার জন্য সব সময় আছে,

ধন্যবাদ আপনাকে,
বলেই আমি টাকা বুঝে নিয়ে বাসাই চলে আসলাম,এইভাবে দেখতে দেখতে দুটি বছর পার হয়ে যায়,
সময়ের সাথে সাথে আমাদের ব্যবসা ও বড়ো হতে লাগল, এখন অনেক জায়গা থেকে কাজের অর্ডার আসে,
আর ঘুরে ঘুরে অর্ডার খুজতে হয় না,
এখন আর সেই দশটি মেশিন নেই আছে হাজার হাজার মেশিন, জমি কিনে ফ্যাক্টরি খুলেছি,
বাজারে কাপড়ের দোকান আছে দশটা,
নতুন বাড়ি করেছি,
এইভাবেই আমাদের ভাগ্যের চাকা পরিবর্তন হতে হতে পার হয়ে যায় আরো দুটি বছর,
এখন আমাদের কোনো কিছুর অভাব নেই,
একসময় যেই ছেলেকে বিয়ে করার জন্য হিয়া সবার থেকে কথা শুনতো আজকে তারাই হিয়াকে বলে হিয়ার মতো কপাল কারো হয় না,
এই আপনাদের তো বলা হয়নি এখন বৃষ্টি আর হিয়া কোনো কাজ করেনা,
বৃষ্টি পড়াশোনা করতেছে আর হিয়া আমার সাথে ব্যবসা দেখে কারণ আপনেরা তো জানেনি আমি পড়ালেখা জানিনা,
হিয়া:-এই চলোনা আজ কে একটু সপিং থেকে ঘুরে আসি, আজকে তো আর অফিসে যেতে হবে না,আর কালকে বৃষ্টি ও আসবে,
কয়েক দিনের জন্য নাকি কলেজ বন্ধ,
ওহহহ আচ্ছা চলো তুমি রেডি হয়ে আসো আমি গাড়ি তে বসে আছি কেমন,
হিয়া:- যথা আগ্গা মহারাজা

তারপরে আমি গিয়ে গাড়িতে বসে হিয়ার জন্য অপেক্ষা করতে লাগলাম,জানেনি তো পরীক্ষা কতো সময়ে শেষ হবে সেইটা বলা সম্ভব কিন্তু একটা মেয়ের সাজতে কতো সময় লাগবে সেটা বলে শুধু মুসকিলি না বরং না মুমকিন ও বটে,
অনেক টা সময় পরে দেখতে পারলাম আমার সামনে একটা কালো পরী আসলো,
বুঝলেন নাতো চলেন বুঝিয়ে বলি,
হিয়া কালো কালারের শাড়ি পরেছে যাতে হিয়া কে পরীর থেকে কোনো অংশে কম মনে হচ্ছে না,
হিয়া:-এইভাবে কি দেখো হুম,
আমার বুঝি লজ্জা করেনা
ওরেমারে বলে কি তোমার লজ্জা ও করে,আগেতো কখনো তুমি লজ্জা পেয়েছো দেখি নাই,
আজকে হঠাৎ লজ্জা কিসের জন্য হুম,
হিয়া:-দেখো একদম মজা নিবেনা তাহলে তেলাপোকার জুস খাওয়াবো কিন্তু বলে দিলাম ফাজিল একটা,
তারপর আমি আর হিয়া সপিং মলের উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম,
গাড়ি চলছে তার আপন গতিতে,
রাস্তায় হঠাৎ আমার চোখ আটকে যায় একটা মানুষ কে দেখে,
সে আর কেউ না সে হলো হিয়ার বাবা,
ওহ আপনারা তো জানেনি না আমরা এখন অন্য শহরে থাকি,কারণ হিয়া ওদের শহরে থাকতে চাইনি,
হিয়া তোমার বাবার এই অবস্থা কেনো।
হিয়া:-আমি ও বুঝতে পারতাছি না বাবা
পাগলের মতো ঘুরছে কেনো,কান্না করে বললাম,
আচ্ছা জানু তুমি চুপটি করে বসে থাকো আমি বরং যেয়ে কাউকে দিয়ে শুনে আসি তোমার বাবার কি হয়েছে,
হিয়া:-আচ্ছা যাও আর শোনো সাবধানে যেও কিন্তু,

তারপর আমি গাড়ি সাইট করে একটা লোককে বললাম শশুর মশায়ের এই অবস্থা কেনো সেটা জানার জন্য,
কিছু সময় পরে লোকটা ফিরে এসে বলল আমার শাশুড়ি নাকি অনেক অসুস্থ হাসপাতালে ভর্তি অপারেশন করতে নাকি দশলাক্ষ টাকা লাগবে,
হিয়া:-ঐখানে গিয়ে কি জানতে পারলে শুনি,
আর তুমি ঐ লোকটার সাথেই বা কি কথা বললে,,
না থাক তেমন কিছু না,
আর আমি গেলে তোমার বাবা চিনে ফেলতো তাই ঐ লোকটা কে দিয়ে শুনে আসলাম,
হিয়া:-বলনা কি হয়েছে কেদেঁ কেদেঁ,
তোমার আম্মু অনেক অসুস্থ,
হাসপাতালে ভর্তি, অপারেশন করানোর জন্য নাকি দশলাক্ষ টাকা লাগবে,তোমার বাবা অনেক খুজেছে কিন্তু কোথাও টাকা জোগাড় করতে পারেনি,তার জন্যই তোমার বাবা পাগলের মতো এখানে ওখানে ঘুরতেছে,
হিয়া:-ওহহহ আচ্ছা চলো,
এখানে থেকে আমাদের তো আর কোনো কাজ নেই তাইনা,
কোথায় যাবো এখন,
তোমার আম্মুর অসুস্থতার কথা জেনে ও তুমি কোথায় যেতে চাচ্ছ শুনি,
হিয়া:-আমরা সপিং করতে এসেছি এখন বলছো কোথায় যাবো হুম, আমরা সেখানেই যাবো বুঝেছো ,
কিহ তোমার আম্মু হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পান্জা লড়তেছে আর তুমি সপিং করার কথা বলতেছো,
তোমার মাথা ঠিক আছে তো নাকি,,,,

চলবে....

No comments