Breaking News

গল্প: ত্যাগ । পর্ব- ০৬


ইমান চুপটি করে তার দিকে তাকিয়ে রইলো, সে মেকি হেসে বলতে লাগলো,

- "আমার নিজেকে বদলে নিতে চাওয়া তোমার কাছে রংতামাশা বলে মনে হচ্ছে?"
- "জানেন কি? সময়ে'র কাজ গুলো সময়ে করতে হয়। সময় পেরিয়ে গেলে, পুরোনো সেসব কিছু নাটক বলে মনে হয় মানুষের কাছে।" তখন আয়েশা এসে বললো,
- "তুই চলে যাস না ছোটো,
আমার নিজেকে অপরাধী বলে মনে হচ্ছে।" মিম মৃদু জিজ্ঞেস করলো,
- "আপা, আপনি কি একটুও ক্লান্ত হননা নাটক করতে করতে?
দেখুন, আমি আপনার মতো নাটুকে নই। আমার মনে যা, মুখেও তাই থাকে।
প্রতিবার আপনি এসে এমন নাটক করেন আর আপনার স্বামী ভাবে," আহা!
না জানি, আমার বড় বউ টাকে কত ছোটো হতে হচ্ছে আমার ছোটো বউয়ের কাছে?"
সাথে সাথে'ই আকাশ এসে বললো,
- "মা যেতে চাইছে যখন, তখন তাকে যেতে দাও না বড় মা।
বুঝি না তাকে এতো সাধাসাধির কি আছে?"
ইমান চিৎকার করে বলে উঠলো,
- "আকাশ?"
- "দেখ বাবা,
আমাকে বকুনি দিয়ে কি লাভ তোমার? কি হবে?
কি জানি না এই অশিক্ষিত মহিলা আবার আমার বিয়ে তে থেকে কি অসুবিধে ঘটাবে?
ওনার এখানে না থাকাই ভালো।
জানি না, তুমি কি করে নিজের বউ বলে লোকের কাছে পরিচয় দেও এই মহিলা কে?"
আনিশা এসে আকাশের পক্ষ নিয়ে বললো,
- "আমিও ভাইয়ার সাথে একমত বাবা, তোমাদের যেতে দেওয়া উচিত মা কে।"
মিম ততক্ষণে গোছগাছ সে'রে ফেললো, সকল কে দরজা দেখিয়ে বললো,
- "আপনারা এখন আসতে পারেন, আমি ঘুমবো অনেক রাত হ'য়েছে।"
মণি মিমের খাবার নিয়ে এলো, ইমান বললো,
- "আমি খাইয়ে দিচ্ছি, তোমার হাতেও ড্রেসিং করতে হবে।"
- "তার কোনো প্রয়োজন নেই,
আমি বড় আপার মত স্পেশাল কেউ নই যে, সর্বক্ষণ আমার খেয়াল রাখতে হবে।
নিজের খেয়াল এতদিনে নিজেই রাখতে শিখে গেছি, কাজেই অন্য কেউ আমা
-র যত্ন করতে এলে সবটা আদিক্ষেতা বলে মনে হ'য় আমার কাছে।"
ইমান তাও মিম কে জোর করতে লাগলো,মিম বলল,
- "আপনি আপনার বউ বাচ্চাদের নিয়ে এ ঘর থেকে
জান, আমার বিরক্ত লাগছে।" আকাশ ইমান কে হাত ধরে টানতেটানতে ঘরের বাহিরে নিয়ে
গেলো আনিশা এগিয়ে এসে বললো,
- "মা তোমার এতো সাধের সংসার ভাঙলে তোমার দোষেই ভাঙবে।"
মিম তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললো,
- "যার নিজের'ই তাসের ঘরে বসবাস, সে আবার এসে অন্য আরেকজন কে জ্ঞান দিচ্ছে?
তুমি আমার থেকে দুনিয়া বেশি দেখনি মা। তোমাকে আমি জন্ম দিয়েছি।
তাই, তোমার থেকে দুনিয়াবি জ্ঞান আমার একটু হলেও বেশি আছে।
নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, অনিক নিজেকে সুধরে নিলে তুমি নিশ্চয়ই বিবাহিত জীবনে
চরম সুখী হবে। তবে ও যদি এখনো সকলের অগোচরে মিথ্যা -চার করে বেড়ায়।
তার ভুক্তভোগী কিন্তু, শুধু মাত্র তোমাকেই হতে হবে তখন তোমার বড় মা এসে কিন্তু,
তোমার পাশে দাঁড়াবে না। নিজের লড়াই, তোমাকে একাই লড়তে হবে।"
- "মা হয়েছে তোমার আমার কানে বড় মা কে নিয়ে বিষ ঢালা? নিজের মতোন ক্ষ্যাত,
গাইয়া আর আন -স্মার্ট বলে মনে করো না কি বড় মা কে?
তুমি আসলেই একটা হিংসুটে মহিলা আর হ্যাঁ চিন্তা করো না। আমি অনেক সুখেই
সুখেই থাকবো আমার অনিকের সাথে।
তোমাকে আমার ভালোমন্দ নিয়ে এতো ভাবতে হবে না। আমার ভালোমন্দ নিয়ে ভাবার
জন্য আমার বড় মা আছে।"
- "যাক, শুনে ভালো লাগলো।
তবে আমি কখনো ভুল প্রমাণিত হলে আমার সত্যি'ই খুব ভালো লাগবে মা
হিসেবে নিজের সন্তানকে আমি হারতে দেখতে চাই না।"
- "তোমার চাওয়া না চাওয়ায় কি যায় আসে? এক দিন এমন আসবে, তুমি আমার সুখ
দেখেও জ্বলবে।ঈর্ষা করবে।"
মিম হাসতে হাসতে বললো,
- "আচ্ছা, দোয়া করে দিলাম। সেই দিন যেন তোমার জীবনে খুব তাড়াতাড়ি আসে। শুভরাত্রি।"
- "তোমার মতো একজন মা থাকলো তার রাএি কি করে শুভ হবে?" অনিক এসে
হাসতে হাসতে তার গাল টেনে বললো,
- "তার জন্য আমি আছি।"
- "বুঝলে? ইনি হলেন একটা ফালতু মহিলা, অন্যের সুখ সহ্য হয় না তার কাছে।"
মিম মেয়ের কথা শুনে মেকি হেসে দরজা লাগিয়ে দিলো। মনে মনে'ই সে মেয়েকে
উদ্দেশ্য করে বলে উঠলো,
- "কখনো, আমি ভুল প্রমাণিত হলে আমার সত্যি'ই খুব ভালো লাগবে।"
দেখতে দেখতে, রাত গড়িয়ে সকাল হ'য়ে গেলো, ইমান ছেলে আর বউয়ের জন্য
ছটফট করতে করতে তাদের রুমে এসে দেখলো। পুরো ঘরটা ফাঁকা পরে আছে।
সে হন্তদন্ত হয়ে নিচে চলে এলো, মহসীন সাহেব বললেন,
- "ছোটো বউ মা মায়ান দাদু ভাইকে নিয়ে ভোররাতে বেড়িয়ে গেছে।"
আনিশা এসে বাবাকে জড়িয়ে ধরে বললো,
- "তুমি মন খারাপ করে থেকো না বাবা, প্লিজ। আজ আমরা সকালে মিলে ভাইয়ার
বিয়ের শপিং করতে যাবো বড় মায়ের সাথে।" ইমান নিজের ঘরে যেতে যেতে বললো,
- "তোমরা যাও আমার হাসপাতালে অনেক কাজ পরে আছে।"
আয়েশা আনিশার কপালে চুমু খেয়ে বললো,

- "বাবাকে বিরক্ত করো না মা, হাসপাতালে যেতে দাও।
ন্ধ্যার আগেই, তার মেজাজ টা একদম ঠান্ডা হ'য়ে যাবে।" ইমান না খেয়ে'ই বাসা থেকে
বেড়িয়ে গেলো, কাজের ফাঁকে ফাঁকে সে বারবার তার ফোন চেক করছে।
বেলা নয়টায় মিম বাপের বাড়িতে এসে পৌঁছালো, ওকে দেখে'ই ওর সৎ মা জিজ্ঞেস করলো,
- "কি রে পোড়ামুখী? তোর স্বামী কি তোকে তাড়িয়ে দিয়েছে?" মিম হাসতে হাসতে উত্তরে বললো,
- "তাড়িয়ে দিলে তো আর এ বাড়িতে জায়গা হতো না। আফসোস,
তোমার মনস্কামনা এখনো পূরণ হ'য় -নি দেখে আমার খুব হাসি পাচ্ছে।"
তৈমুর সাহেব স্ত্রী কে ঝাড়ি মে'রে বললেন,

- "কি অবস্থা আমেনা তোমার? আমার মেয়ে কি দরজায় দাঁড়িয়ে থাকবে?"
তিনি হঠাৎ স্বামীর হুংকার শুনে আৎকে উঠলেন,
মিম ততক্ষণে, তার মায়ের স্মৃতি বিজড়িত সেই পুরনো কক্ষে চলে এসেছে ও
ছেলে কে বিছানায় রেখে জামাকাপড় ছেড়ে নিলো। কিছুক্ষণ পর,মিমের বড় ভাবি
এসে ননদের মাথায় হাত বুলোতে বুলোতে জিজ্ঞেস করলো,
- "তা বোন তুমি কি খাবো আজকে?" মিম খাটের রোয়াকে মাথা ঠেকিয়ে বললো,
- "তেমন কিছু'ই না ভাবি দু'মুঠো ডালভাত খেতে দিলেই হবে।"
রেখা ননদের মুখের দিকে ড্যাবড্যাব তাকিয়ে রইলো। আমেনা বেগম
মেয়ের কথা শুনতে পেয়ে রান্না ঘরে এসে ধোয়া থালাবাসন আবারও ধুতে
শুরু করলেন, তৈমুর সাহেব সেসব দেখে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন,
- "কি হলো তোমার? মন খারাপ করে আছো কেন? কি হয়েছে?"
- "মেয়েকে বিয়ে দিলে সুখী হবে বলে,অথচ সে বিয়ে হওয়া থেকে মেয়ে টা শুধু
কষ্ট'ই পেয়ে যাচ্ছে। মান- লাম আমি কখনো মা ম'রা মেয়ে টা মন থেকে মেনে নিতে পারিনি।
অনেক কষ্ট দিয়েছি তাকে। কিন্তু তুমি কি করলে?
তার বয়সের দ্বিগুণ একটা লোকের সাথে মেয়ের বিয়ে দিলে আর এমন বিয়ে দিলে
যে গত পঁচিশ বছর ধরে সে একটা কথাও বলেনি তোমার সাথে। বাড়িতে ও বেড়াতে
আসে পাঁচ বছরে এক বার। কেন তুমি মেয়ে টা কে বিয়ে দিলো ওমন একটা দায়িত্বজ্ঞানহীন
লোকের সাথে?
আমার মেয়ের কাজ কি বছর বছর বাচ্চা জন্ম দেয়া। আর সকলের ফাই-ফরমাশ খাটা?
এরজন্য'ই বোধ হয় জন্ম দিয়েছিলে মেয়ে টা কে? শোনো, মাইমুন কে এখুনি ফোন করো,
তাকে বলো আমার মেয়ের জন্য বাজারের সবচেয়ে বড়মাছ টা,মাংস টা নিয়ে আসতে
।"
- "আমেনা।"
- "কি আমেনা? আমি যা বলেছি, তুমি শুধু সেটাই করবে। তোমার কি টাকার অভাব না কি?
তুমি কি একটুকুও করতে পারবেন? মেয়ে কি ডালভাত খেতে এসেছে না কি বাপের বাড়িতে?"
স্ত্রী আমেনার কথা শুনে তৈমুর সাহেবের চোখে জল টলমল করতে লাগলো।
তিনি বড় বড় দু'টো ব্যাগ নিয়ে ছুটলেন বাজার করতে। মাইমুন বোনের আসার খবর
পেয়ে তার পছন্দের সকল মণ্ডামিঠাই নিয়ে হাজির। অথচ সে সকল কে চমকে গিয়ে বললো,
- "আমার ডাল,ভর্তা,ভাত খেতে ইচ্ছে করছে।" মেয়ে এর কথা শুনে ব্যস্ত হয়ে পরলেন
আমেনা বেগম,তিনি রান্না ঘরে গিয়েও ফিরে এসে বললেন,
- "এই ছু*রি তোর মাথা ঠিক আছে?" তখন মিমের
বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী বোন মিতা এসে তার হাত ধরে হাসতে হাসতে বললো,
- "তোর হাত কি করে পুড়লো, বড় আপা? দুলাভাই তোকে আবারও মে'রেছে?" কিছু টা দূরে'ই তৈমুর সাহেব দাঁড়িয়ে ছিলেন, তার এ-সব শুনে হল পর্যন্ত হেঁটে যেতে খুব কষ্ট হচ্ছে।
মিম বোনকে বুকে জড়িয়ে ধরে আদর করতে লাগলো। তার জন্য আনা হরেক রকমের
উপহার বের করে দেখাতে লাগলো মিতাকে। মিতা সেসব নিয়ে গিয়ে আমেনা বেগম কে
দেখাতে লাগলো৷ আমেনা ছুটে গিয়ে ফোন করে ডক্টর ডেকে পাঠালেন বাড়িতে।
মিম বেশ চমকে গেলো। তবে সে চুপটি করে আমেনা বেগমের কথা শুনছে।
ডক্টর ওর চেক-আপ করে চলে গেলো। আমেনা বেগম নাতিকে কোলে
নিয়ে পাড়া-প্রতিবেশি কে দেখাচ্ছে।
কতক্ষণ পর, তিনি মেয়ের জন্য ফল কেটে নিয়ে এলেন। মিম
বললো,

- "আমি ডাল,ভর্তা,ভাত খাবো। এসব কে খায় বলো আমাকে? বড় লোকে'র বাড়িতে
তোমরা আমাকে খুব সাধ করে বিয়ে দিয়েছ। অথচ তারা ভর্তা ভাতকে ছোটোলোকের খাবার বলে ভাবে।" আমেনা কোমল গলায় মেয়েকে বললেন,
- "ফল গুলো কেটে ফেলেছি মা, আগে খাও। ভর্তা, ভাত হতে অনেক টা সময় লাগবে।" মিম ছেলে কে আদর করতে করতে জিজ্ঞেস করলো,
- "পাঁচ ঘণ্টা না কি দশ ঘন্টা?" আমেনা বেগম রান্না ঘরে যেতে বলে উঠলেন,
- "মেয়ে টা একদম, তার বাপের মতোই হ য়েছে।"
ওদিকে,সকলে আকাশের বিয়ের শপিং করে বাড়িতে
ফিরে এলো। তারা বিয়ের সকল আয়োজন নিয়ে প্লানিং প্লটিং করছে।
তখন রাত দশটা, ইমানে'র কোনো খোঁজ নেই। আর আয়েশা ও জানার চেষ্টা করেনি সে কোথায় আছে?
ঠিক রাত বারোটায় ইমান মদ্যপ অবস্থায় বাড়িতে ফিরে এলো। ছেলেরা মিলে তাদের বড় মায়ের ঘরে রেখে এলো তাকে, তখন হঠাৎ আয়েশা এসে বললো,
- "ওনাকে ছোটোর ঘরে রেখে এসো।" আকাশ বলে উঠলো,
- "বড় মা?"
- "হ্যাঁ, বাবা। আমার ওনাকে দেখে কেমন যেন গা গোলাচ্ছে?" সুহানি চমকে গেলো, হয়তো বা ভূতের মুখে রামনাম শুনে তার বেশ অদ্ভুত লাগছে? আনিশা এসে চিন্তিত মুখে আয়েশা কে বললো,
- "বাবা নিজের মধ্যে নেই বড় মা?" সে রাগ দেখিয়ে বলে উঠলো,

- "তোমরা কি একটু বুঝতে পারছনা? আমার খুব অস্বস্তি হচ্ছে?" ছেলেরা বাবাকে নিয়ে মায়ের ঘরে শুইয়ে দিলো,বাবার জামা-কাপড় পাল্টে তেঁতুল জল এনে খাইয়ে দিলো তাকে।" বেশকিছু ক্ষণ পর, ইমান স্বাভাবিক হলো, প্রচণ্ড উৎকণ্ঠা নিয়ে ছেলেদের জিজ্ঞেস করলো,
- "আমার ফোন টা কোথায়? তোমাদের মা নিশ্চয়ই এতক্ষণে আমায় ফোনে না পেয়ে অস্থির হয়ে গেছে?
কোই সে কোথায়? ড্রিংক করে এসেছি বলে এখন আবার পুরো বাড়ি মাথায় তুলে ফেলবে না তো সে?"
প্রিয়ন্তি আমতা আমতা করে বলে উঠলো,

- "মা যে বাসায় নেই বাবা? বাপের বাড়ি পৌঁছে তিনি ফোন করেননি কাওকে।" ইমান তার কথা গ্রাহ্য না করে নিজের ফোন টা ঘাঁটতে লাগলো। তবে মিমের কোনো কল না দেখে তার মন টা খুব খারাপ হয়ে গেছে।" স্বপ্না গিয়ে শশুরের জন্য খাবার গরম করিয়ে নিয়ে এলো। ইমান রাগ দেখিয়ে না খেয়েই ঘুমিয়ে গেছে। আজ অনেক অনেক দিন পর, মিম পেটপুরে নিজের পছন্দের খাবার খেলো ছেলেকে ঘুম পাড়াতে পাড়াতে আমেনা কে বললো,

- "জানো, আজ অনেক দিন পর আমার শান্তির ঘুম হবে।" আমেনা তার কথায় মিটিমিটি হাসলেন, হঠাৎ করেই তার চুল টেনে বললেন,
- "হুমম, বুঝেছি। এ বাড়িতে এসেছিস তো আমার হাড়মাস জ্বালিয়ে খেতে।" মিম উচ্চ শব্দে হাসতে শুরু করলো, আমেনা মৃদু বললেন,
- "শুয়ে পরো অনেক রাত হয়েছে।" এদিকে, ইমান বিছানায় শুয়ে উল্টিপাল্টি করতে লাগলো। পাশের দু'টো মানুষ নেই ভেবেই তার অন্তরাত্মা যেন ক্ষণে ক্ষণে কেঁপে কেঁপে উঠছে।
পরেরদিন, সকালে বিয়ের ডেকোরেশন শুরু হলো।
রাতে এনগেজমেন্ট পার্টিতে নেহা মিমকে কোথাও দেখতে না পেয়ে আকাশ কে কড়া গলায় জিজ্ঞেস করলো,
- "মা কোথায়? গিয়ে এখুনি নিয়ে আসো তাকে।"
- "উনি তেজ দেখিয়ে বাপের চলে বাড়ি গেছে।" নেহা চিৎকার করে বলে উঠলো,
- "তো?"
- "তুমি এভাবে বকা দিচ্ছ কেন আমাকে?" ও ধূর্ত হেসে বললো,
- "শোনো, বিয়ের দিন মা আমাকে নিজে বরণ না করলে তোমাদের কপালে কিন্তু ঢেড় দুঃখ আছে।"

চলবে....

No comments