অবশেষে বউ যখন সিনিয়ার | Writer :Sahriar Islam Shanto

অবশেষে বউ যখন সিনিয়ার | Writer :Sahriar Islam Shanto

সবার মত আজ আমিও সিংগেল থেকে বিংগেল হয়ে গেলাম।মানেটা বুঝলেন না আজ আমার সিংগেল লাইফ থেকে আমিও ডাবল হয়ে গেলাম মানে আজ আমার বিয়ে।আর একটু আগে মাত্র বিয়ে করে বউকে নিয়ে বাসায় আসলাম।হঠাত করে মা বাবা বিয়ে দেওয়ার জন্য উঠে পরে লাগল।আমার পরিয়টা দিলে হয়ত আপনরা হাসবেন তারপরেও বলি,,,,,আমি হচ্ছি রিয়াদ,বাবা মার এক মাত্র সন্তান।বর্তমানে আমি অনার্ষ ২য় বর্ষে পড়ালেখা করছি,আর তার পাশাপাশি একটা মাল্টিমিডিয়া কম্পানীতেও জব করতেছি।হঠাৎ করে কেন যে বাবা মা বিয়ের জন্য পাগল হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম।বললাম পড়ালেখাটা শেষ করি তাও তাদের হল না,,,,,

তাদের এক কথা তারা নাকি নাতী নাতনীর মুখ দেখতে চায়।কি আর করব তাই শেষমেষ বিয়েটা হয়েই গেল। . বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিচ্ছিলাম হঠাৎ মোবাইলটা বেজেঁ উঠল তাকিয়ে দেখি বাবা, তাই কলটা ধরলাম সাথে সাথেই ঝারি,,,,,, . .

–কিরে তর কি কোনো আক্কল গিয়ান নাই?(বাবা) –কেন কি হয়েছে বাবা?(আমি) –তুই মেয়েটাকে একা একা ঘরে রেখে তুই আড্ডা দিতেছিস! –না বাবা মানে।(কথাই বের হচ্ছে না আসলে আমি সব থেকে বাবাকে একটু বেশিই ভয় পাই) –তুই এখন যেখানেই তাকিস তাড়াতাড়ি বাসায় আয়? –আচ্ছা বাবা আমি আসতেছি। . .

তারপর আর কি থাকা যায় বন্ধুদের কাছে বিদায় নিয়ে বাসায় আসলাম।কেন যানিনা আজ আমার রুমে যেতেও কেমন জানি লাগতেছে।আসতে আসতে দরজায় ধাক্কা দিতেই দরজা খুলে গেল।দেখলাম একটা মেয়ে লম্বা একটা গুমটা দিয়ে বিছানার মাঝ খানে বসে আছে। তারপর আমি দ্বিরে দ্বিরে এগুতে লাগলাম।আমি গিয়ে ওর পাশে বসলাম।যখনই হাতটা বাড়ালাম আমি ওর ঘুমটা সরানোর জন্য তখনই সে নিজেই ঘুমটা তুলে বলল,,,,,,, . . .

–দেখ আমার শরীরে একদম ছোয়ার চেষ্টা করবি না?(মেয়েটা) মারডালা বাশঁর রাতে বউ এমন বললে কেমনডা লাগে বলুনত।আমি আমতা আমতা করে বললাম…. –কেন আপনার সাথে আমার বিয়ে হয়েছে, তাহলে আপনাকে কেন টাচ করব না?(আমি) –কারন এই বিয়ে আমি মানি না। –কেন মানেন না আর আপনি আমাকে তুই তুকারি করে কথা বলছেন কেন? –কারন একটাই তুই আমার জুনিয়র আর তাই আমি তকে স্বামী হিসাবে মানতে পারব না। –তা আপনি কিভাবে আমার সিনিয়র হন? –আমি তর দুই বেচ সিনিয়র। তুমি পড় ২য় বর্ষে আর আমি পড়ি ৪য় বর্ষে। –ওহ তা আগে যখন জানতে তাহলে আমাকে বিয়ে করলে কেন? –কারন আমি আজ পর্যন্ত আমার বাবা মার মুখে উপর কখন কথা বলি নাই তাই না করতে পারলাম না। –আচ্ছা তা এখন আমি কি করতে পারি? –কিছুই করা লাগবে তুই তর মত চলবি আর আমি আমার মত চলব ওকে। –আচ্ছা, কিন্তু মা বাবা? –আমরাত জানি আমাদের সম্পর্কটা আর তাদের সামনে আমরা স্বামী স্ত্রীর মত ব্যবহার করব। –আচ্ছা আমি এখন কোথাই ঘুমাব? –কেন বিছানায় কিন্তু মাঝকানে কোনবালিশ থাকবে? –আচ্ছা ঠিকাছে। . .

তারপর আমি বিছানার এক পাশে আর মেয়েটা অন্য পাশে আর মাঝকানে কোলবালিশ দেওয়া।ওহ তখন থেকে মেয়েটা মেয়েটা করছি ওর পরিচয়টাইত দিলাম।ওর নাম হচ্ছে সামিয়া,,,বিয়ের আগে শুধু ওর নামটাই শুনছিলাম কিন্তু কিসে পরে সেটা জানা ছিল না।তাড়াতাড়ি বিয়ে ঠিক হয়ে গেল তাই দেখাও করতে পারলাম না।হয়ত এটাই আমার কপাঁল ছিল।সবার মত আমার ইচ্ছা বিয়ে করে বউকে অনেক ভালবাসব।কিন্তু সেটা আর আমার কপাঁলে জুটলনা,শেষ মেশ সিনিয়র বউ এই কপাঁলে জুটল।জীবনে একটা প্রেমও করলাম না শুধু বউ এর কথা ভেবে।যহ এত কিছু ভেবে লাভ নাই এখন ঘুমাই।তারপর ঘুমিয়ে পরলাম। . || .

সকালে সিনিয়র বউ মানে সামিয়ার ডাকে ঘুম ভাঙ্গল।তাকিয়ে দেখলাম ও অন্য দিকে মুখ গুড়িয়ে চুল মুছতেছে।মনে হয় এই মাত্র গোসল করে আসল।হঠাৎ সে আমার দিকে ঘুরে থাকাল তারপর আমাকে সজাগ দেখে বলল তাড়াতাড়ি ফ্রেস হয়ে নিচে আসতে মা বাবা টেবিলে ওয়েট করতেছে।তারপর ও চলে গেল আমি তার চলে যাওয়ার দিকেই তাকিয়ে রইলাম।রাতে যেভাবে দেখছিলাম এর থেকেও অনেক সুন্দর।আমার মনে হয় রাতে ভাল করে ওর মুখটাই দেখছিলাম না।দেখতে মনে হয় না ও আমার সিনিয়র বলে।দেখতে একদম পরির মত লাগছিল।আমিত দেখেই ক্রাশ খেয়ে গেলাম।মনে হয় এখন আমি সিনিয়র বউ এর প্রেমেই পড়ে গেলাম। তারপর ওঠে ফ্রেস হয়ে নিচে গেলাম।দেখলাম সবাই আমার উপেক্ষায় আছে।সবাই খাচ্ছে আর আমি ওর দিকেই তাকিয়ে রইলাম।মনে হচ্ছে সারা জীবন ওর দিকেই তাকিয়ে থাকি।হঠাত সামিয়া লক্ষ্য করল আমাকে তারপর ইসারায় কি জেন বলল।খাওয়া দাওয়া শেষ রুমে গেলাম।একটু রেষ্ট নিচ্ছিলাম হঠাৎ সামিয়া আমার সামনে এসে বলল…… . . —

এই তুই খাওয়ার সময়ই আমার দিকে এভাবে থাকিয়ে ছিলি কেন? –আমি আপনার দিকে কেন থাকাতে যাব! –আমি দেখলাম তুই খাওয়া সময়ই আমার দিকে এক নজরে থাকিয়ে আছিলি? –না আপনার দিকে থাকাইনি আপনি বুধয় ভুল দেখছেন? –কি আমি ভুল দেখছি? –তা নয়ত কি আপনি খামখা কেন বলতেছে আমি আপনার দিকে থাকিয়ে আছিলাম? –আমি দেখছি বলেইত বলছি! –আমি বললামত আপনি ভুল দেখছেন!(একটু ধমক দিয়েই বললাম যাতে ধরা না খাই) . . তারপর সামিয়া আর কিছু না বলে রুম থেকে চলে গেল।আমিও বেড়িয়ে গেলাম বন্ধুদের কাছে।সন্ধায় দেখলাম শশুর বাড়ি থেকে অনেক লোকজন আসল।আমাদের নাকি নিয়ম অনুযায়ী শশুর বাড়ি যেতে হবে।তাই আমি চলে গেলাম শশুর বাড়ি।গিয়ে শশুর শাশুরীকে সালাম করে বাসায় ডুকলাম।শশুর বাড়ি আসার পর অনেক ভালভাবেই আমাকে জামাই আদর করতে লাগল।রাতে খাওয়া দাওয়া করে সবার সাথে গল্প করে ঘুমাতে গেলাম।ঘরে ডুকে দেখলাম সামিয়ে আয়নার সামনে বসে সাজতেছে।আমি ওর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম।হঠাৎ সে আমাকে দেখে ভয় পেয়ে গেল।তারপর আমাকে বলল…….. . . —

এই তুই আবার আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছিস? –কেন আমি কি আমার ব এর দিকে তাকাতে পারি না। কথা বলতে বলতে এগুতে লাগলাম।আর সে পিছুতে পিছুতে বলতে লাগল এই তুই এভাবে আসছিস কেন।আমি তার কথাই উত্তর না দিয়ে এগুতে লাগলাম।একেবারে ওর কাছে চলে গেলাম। . . –দেখ আমি কিন্তু তর সিনিয়র হই এটা কিন্তু টিক না? –সিনিয়র হলে সমস্যা কি এখনত তুমি আমার বউ। –দেখ এমন কিছ না! –কই আমিত কিছু করলাম না! –তাহলে আমার কাছে আসতেছিস কেন? –একটা দরকারে। –কি দরকার দূরে গিয়ে বল! . আমি আর কিছু না বলেই ওর ঠোটের সাথে আমার ঠোট মিশিয়ে ১ মিনিট ধরে রাখলাম।হঠাৎ সে আমাকে ধাক্কা দিয়ে দুই গালে দুইটা চড় মারল।আমি অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলাম সে বলতে লাগল…… . . –আমি প্রথম রাতে ভাবছিলাম তুই অনেক ভাল কিন্তু তুই যে এত খারাপ আগে জানতাম না।তুই এটা কি করলি ছিঃ,অসভ্য ছেলে। আরও অনেক কথা বলে চলে গেল। আমি দারিয়েই রইলাম।সামান্য একটা কিছ করছি বলে আমাকে চড় মারবে। . . তারপর আমি আর কিছু না বলে বিছানায় শুতে গেলাম।বসার সাথে সাথে সে বলে উঠল আমি তর সাথে শুতে পারব না তুই নিচে শুয়।আর তার সাথে একটা বালিশ নিচে ছুরে ফেলল।আমি আর কিছু না বলে নিচেই শুয়ে পরলাম। . || .

সকালে ঘুম থেকে উঠে ফ্রেস হয়ে নিচে নাস্তা করতে গেলাম।আজ সামিয়া আমাকে ডাক দিল না।দেখলাম সামিয়া আমার দিকে তাকিয়ে আবার চোখ সরিয়ে নিল।আমি চেয়ার টেনে বসে গেলাম।সবাই খাওয়া শুরু করল কিন্তু আমার খেতেই মন চয়ইছে না।বার বার শুধু রাতের গঠনা মনে আসতেছে।আমাকে খেতে না দেখে শাশুরী মা বলল……. . . –কি ব্যাপার বাবা তুমি খাচ্ছা না কেন? –কই নাত এইত আমি খাইতেছি। –না আমি দেখতেছি তুমি না খেয়ে নাড়া চারা করতেছ,নাকি খাবারটা ভাল হয় নাই? সাথে সাথেই সামিয়া উত্তর দিল,,,,, –খাবার ভাল না লাগলে শুধু এখানে বসে থেকে লাভ না। . . এই কথা শুনে আমি আর তাকতে পারি,আমি সাথে সাথে উঠে হাত ধুয়ে নিলাম।রুমে চলে যাচ্ছিলাম শশুর শাশুরি অনেক বার ডাকল খাওয়ার জন্য আমি আর জাইনি,সোজা রুমে চলে আসলাম।ঠিক করলাম আর এখানে এক মুহূর্ত্ব তাকব না।তাই ব্যবাগ গুছিয়ে নিলাম।ব্যাগ নিয়ে বাইরে বেড় হলাম চলে যাওয়ার জন্য। ……..
.

“”” তাই ব্যাগটা নিয়ে বেরিয়ে পরলাম।আমাকে বেড়ুতে দেখেই শাশুরী মা বলল……. . . –বাবা ব্যাগ নিয়ে কোথাই যাচ্ছ? (শাশুরী মা) –আসলে মা আমার একটা জরুরী কাজ আছে তাই আমি চলে যাচ্ছি।(মিত্যা কথা) –এ কেমন কথা, নাকি সামিয়ার উপর রাগ করে চলে যাচ্ছ? –না মা আমি সত্যি বলছি একটা জরুরী কাজ পড়ায় চলে যাচ্ছি ।কাল আমি এসে সামিয়াকে নিয়ে যাব! –দেখ বাবা আমি জানিনা তুমি ওর ওপর রাগ করছ কিনা যদি হয়ে থাক তাহলে আমি ওর হয়ে তোমার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি! –মা এটা আপনি কি বলছেন আমি কেন ওর উপর রাগ হব। –না মানে একটু আগের গঠনার জন্য বলছি, আসলে আমার মেয়েটার ওই রকমি সব কিছুতে রাগ একটু বেশিই ওর। — না মা আমি ওর উপর কোনো রাগ করিনি। –আচ্ছা বাবা সাবধান যেও? –আচ্ছা মা আসি। . . আমি আর সামিয়ার সাথে দেখা করলাম না।হয়ত সে শুনার পর বলবে আমাকে না বলেই চলে গেল। তারপর সুজা বাসসয় চলে আসলাম।এখানে এসেও অনেক কইফদ দিতে।কেন সামিয়াকে রেখে চলে আসলাম।আরও অনেক প্রশ্ন করল, সব উত্তর দিয়ে রুমে গেলাম।ফ্রেস হয়ে এসে একটা ঘুম দিলাম, সন্ধায় মার ডাকে গুম ভাঙ্গল।তারপর উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে গেলাম।আজ মনে হয় আড্ডা একটু বেশিই দিলাম।তারপর সবাইকে বিদায় জানিয়ে আমি চলে আসলাম।তারপর খেয়ে দেয়ে গুমাতে রুমে গেলাম। . || .

সকালে মোবাইলের বাজনাই ঘুম ভাংল।তাকিয়ে দেখি একটা অচেনা নাম্বার থেকে কল আসছে।দুর সকাল সকাল ঘুমটাই নষ্ট করে দিল।বিরক্তি কর মুড নিয়ে কলটা ধরলাম,,,,,, . . –হ্যাল কে বলছেন? (রাগের মুডে) –না মানে আপনি কি এখন ঘুমিয়ে? –সকাল সকাল ঘুমটা ভাঙ্গিয়ে এখন বলছেন ঘুমিয়ে আছি কি না! আচ্ছা আপনি কে বলুনত? –না মানে, আমি সামিয়া বলছি! –কোন সামিয়া?(চিনেও) –এত তাড়াতাড়ি ভুলে গেলেন? –না মানে,,,,,আচ্ছা আপনি কেন কল দিলেন? –আপনি কি আসবেন না? –কোথাই? –কোথাই মানে আমাকে নিতে! –ওহ,,,আচ্ছা আমি ফ্রেস হয়ে আসতেছি। –আচ্ছা সাবধানে আসবেন? –আচ্ছা।টু টু টু . . কাহিনীটা বুঝলাম না হঠাৎ এত ভাল ব্যবহার,,,,, হয়ত প্রথমে যে রেগে কথা বলছিলাম তাই হয়ত।তারপর আমি উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করলাম।মাকে বলে সামিয়ার বাসায় উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।বাসায় গিয়ে কলিংবেল চাপ দিতেই সামিয়া এসে দরজা খুলল।তারপর বাসায় ডুকলাম,,,,মা বাবাকে সালাম করে তাদের বিদায় জানিয়ে সামিয়াকে নিয়ে আমার বাসায় আসলাম।রাস্তায় আমি ওর সাথে একটা কথাও বললাম না।বাসায় ওকে দিয়ে আমি চলে গেলাম বন্ধুদের কাছে।অনেক রাত করে বাসায় ফিরলাম।বাসায় ডুকে সোজা রুমে চলে গেলাম।রুমে ডুকে দেখলাম সামিয়া বই পড়তেছে আমি আর ওই দিকে না তাকিয়ে ফ্রেস হতে গেলাম।এসে দেখি ও আমার জন্য রুমে খাবার নিয়ে আসছে।সামিয়া আমাকে বলল খেয়ে নিতে আমি ওকে জিজ্ঞেস করলাম মা খেয়েছে কি না।ও বলল খেয়েছে তাই আমি খাওয়া শুরু করলাম।আমি ও খেয়েছে কি না সেটা আমি ওকে জিজ্ঞেস করিনি।খাওয়া দাওয়া শেষ করে একটা বালিশ আর একটা কম্বল নিয়ে আমি শোফায় শুয়ে পড়লাম।ওকে একবার দেখলাম ও আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে,মনে হচ্ছে আমি কি জেন করে ফেলেছি।কাল যখন শুধু একটা কিছ করার কারনে আমাকে ফ্লোরে শুতে হয়েছে তাহলে ওর সাথে কেন এক বিছানায় শুতে যাব আমি।অনেক কষ্ট হইতেছে সোফায় শুতে তাও বাদ্য হয়ে শুলাম।এই প্রথম আমি সোফায় শুতেছি আমি শুধু একটা ভুলের কারনে,কেন যে বিয়েটা করতে গেলাম।না করলে আজ আর এই অবড্তা আমার হত না।অনেক সকালে আজ উঠলাম কারন আজ থেকে অফিসে যাব শুধু শুধু বাসায় থেকে কি লাভ।দেখলাম সামিয়া এখন ঘুমিয়ে আছে, আমি চলে গেলাম ফ্রেস হতে।এসে দেখি সামিয়া ঘুম থেকে উঠে গেছে।তারপর আমি রেডি হতে লাগলাম।কিছুক্ষন পর দেখলাম সামিয়া রুমে আসল। আমাকে রেডি হতে দেখে বলল,,,,,,,,, . . –কি ব্যাপার এত সকালে কোথাই যাবেন? –অফিসে যাব। –আপনার না আরও সাত ছুটির বাকি আছে? –না মানে,শুধু শুধু বাসায় থেকে কোনো লাভ নেই! –তাই বলে আজই অফিসে চলে যাবেন? –কেন কোনো সমস্যা? –না সমস্যা হবে কেন। . . আমি আর কোনো কথা না বলে রেডি হলাম।তারপর নিচে চলে গেলাম নাস্তা করতে সেখানেও বাবা আমাকে দেখে বলল….. . . –কিরে বাবা কোথাই যাচ্ছিস? –না বাবা অফিসে যাচ্ছি। –কি রকম কথা বলিস মাত্র তিনদিন হল বিয়ে করলি আর আজই অফিসে চলে যাচ্ছিস? –আসলে বাবা অফিসে একটা জরুরি কাজ পরাই যেতে হচ্ছে। –কেন তুইত দশ দিনের ছুটি নিয়েছিলি আরওত সাত দিন বাকি আছে। –বললাম না বাবা অফিসে একটা জরুরি কাজ আছে তাই যাওয়া লাগতেছে। –আচ্ছা তুই যা ভাল বুঝিস। . . তারপর আর কি খেয়ে রওয়ানা দিলাম অফিসে।বাবা যখন প্রশ্ন করল তাই মা আর করল না, না হয় আর অনেক উত্তর দিতে হত।আসার সময় ওর সাথে কথা কেন একবারও থাকালাম ও না সোজা বেড়িয়ে পরলাম।অফিসে এসেও আরেক জ্বালা সবাই বলতে লাগল বিয়ে করলি মাত্র তিন দিন আর আজই চলে আসলি অফিসে।সবাইকে সত্যি কথাটাই বললাম,,, তর ভাবীর সাথে রাগ করছি বলেই চলে আসছি।তারপরেও আবার সবাই বলতে লাগল বিয়ে করলি তিনদিন হলনা আর এতেই বউ এর সাথে রাগ,আল্লাই জানে তর কপাঁলে কি আছে।আমি আর কিছু না বলে আমার কক্ষে চলে গেলাম।আজও আড্ডা দিয়ে অনেক রাত করে বাসায় ফিরলাম। . || .

এভাবেই দেখতে দেখতে এক মাস চলে গেল।শুধু মা বাবার সামনেই ওর সাথে কথা বলি আর দরকার ছাড়া ওর সাথে কোনো কথাই বলি না।আস্তে আস্তে ওর আচরনটাও জেন কেমন পাল্টে যাচ্ছে প্রথম বলছিল তুই করে কথা এর পর বলল আপনি করে আর এখন আমার সাথে তুমি করেই কথা বলে।আর আমার কাজের জিনিস গুলোও সব সময় আগ বারিয়ে দেয়।হঠাৎ হঠাৎ দুপুরে কল দিয়েও বলবে আমি খেয়েছি কি না।কিন্তু আমি ওর সাথে বেশি কথাই বলতাম না কিন্তু ও আমার সাথে কথা বলতে চাইত সেটা আমি ওর কথা বার্তা দেখে বুঝতে পারতেছি।বোঝুক মানুষকে আগাত দিলে কেমন লাগে।আমি রাতে ঘুমাতে গেলে বিছানা থেকে বালিশ আনতে হয় সেই সময় দেখতাম সে আমার দিকে কিরকম ভাবে তাকিয়ে থাকে। . . একদিন সকালে আমি উঠে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে রিডে হতে লাগলাম।আমার ঠাইটা লাগিয়ে দেওয়ার জন্য মাকে ডাক দিলাম।আসলে আমি ঠিক ভাবে এখন ঠাইটা লাগানো পারি না।মাকে ডাকার পর দেখলাম মা না এসে সামিয়া আসল।এসে সে আমাকে বলল এদিকে দাও আমি বেধে দিচ্ছি।আমি সাথে সাথেই বললাম……!!! ……

.
<><> চলবে <><>