Breaking News

শুধু তুই । পর্ব - ০১



না গেলে হয়না?
আমি কাজের জন্যে নয় যাচ্ছি নিজের দায়িত্ব পালন করতে।
আমি কি তোর দায়িত্ব নই ?
তা আমি মরে গেলেও অস্বীকার করতে পারি না ।
তাহলে তোর সঙ্গ দেয়া কি অপরাধ ছিল আমার?
হয়ত ।
এরপর কি সত্যি প্রতিপ্রশ্ন করার অধিকার ছিল আমার। হয়ত না !
কাহিনিটি তখনের যখন আমি সবে কৈশোরে পা দিয়েছি সে ছিল আমার কিশোরী বয়সের কিশোর বন্ধু ।
তখন কোনো নাম দেয়া সম্পর্কে ছিলাম না আমরা।
মিশতাম একে অপরের সাথে গভীর ভাবে প্রেম ভালোবাসা কাকে বলে জানা ছিল না আমাদের।
তবুও কোথায় যেন মনে রংধুনু উঠত দেখা হলেই।
যদি একদিন দেখা না হতো সব মনে হতো অর্থহীন।
একটা বয়স অবধি সম্পর্কটা ছিল শুধুই বন্ধুত্বের, হাসি , মজার।
কিন্তু সময় বয় নদীর স্রোতের ন্যায় নদীর এই বহমনতায় তীর সংলগ্নে যেমন আমূল পরিবর্তন ঘটে ,
সময়ের বহমনতায় পাল্টে যায় সম্পর্কের সমীকরণ।
এই সমীকরণের সমাধান করা বড্ড কঠিন হয়ে যায়।
বন্ধু নামক মানুষটি রূপ নেয় প্রিয় মানুষে,
সে পাশে থাকলে চারপাশে কি আছে কি নেই জ্ঞান থাকে না একটুও ।

তার সাথে পরিচয়টা স্কুলে ,একই ক্লাসে পড়তাম আমরা দুজনে।
প্রথম প্রথম একটু আধটু কথা হলেও সময়ের বিবর্তনে রূপ নেয় তা বেস্ট ফ্রেন্ডে ।
আমরা একটা গ্রুপ ছিলাম পাঁচ- ছয় জনের সে এসে মিশে গিয়েছিল আমাদের নীড়ে ।
তারপর যা হওয়ার হলোও তাই প্রথমে ভালোলাগা অতঃপর একটু একটু করে ভালোবাসা।
শুরু যবে থেকে অনুভূতি সৃষ্টির তবে থেকেই শুরু হলো জীবনে অনাবৃষ্টি।
সবকিছু শূন্য, রস-কসহীন লাগত নিজের কাছে মনটা শুধুই বলত “শুধুই তুই” ।
বেহায়া মন ও চোখ দুটো আবদ্ধ রইত শুধুই তাহার পানে ।
জানি না তখন সে বুঝেছিল কি না আমার মনের অবস্থা ,,
কিন্তু আমার কেন জানিনা মনে হতো আমার মনে আছে যাই তার মনেও আছে ঠিক তাই ।
হঠাৎ করে হলেও দুই একবার চোখাচোখি হতো আমাদের।
পথে পাশাপাশি হাঁটতে হাঁটতে যখন একে অপরের ছোঁয়া পেতাম দেহ মন শিউরে উঠতো তখন ।
কিন্তু আমায় ভুল প্রমান করে সে ধরল অন্য কারো হাত ।
এক মূহুর্ত যেন লন্ডভন্ড হয়ে গেল আমার অনুভূতির আকাশ।
কিছু যেন মাথায় ঢুকছিল না আমার ।
প্রাইভেট পড়ে আসার সময় যখন দেখতাম আমার পাশে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলছে
অন্য কারো সাথে একটু না বড্ড বেশিই কষ্ট হতো আমার।

আস্তে আস্তে সময় যাচ্ছিল তার পরিবর্তন নজরে পড়ছিল কলেজে উঠেছিলাম আমরা
সবাই যুক্তি করে ভর্তি হয়েছিলাম একই কলেজে।
যখন আমরা ব্যস্ত থাকতাম কলেজ শেষের আড্ডায় ও তখন প্রহর গুনতে থাকত
প্রিয় একজন মানুষের অপেক্ষায়। যখন সে আসত চলে যেত সে ফিরেও তাকাত না আমার দিকে ।
কেননা আমার বাড়ির রাস্তা পড়ত তারও বাড়ির রাস্তায়,,,,,
একসাথে যেতাম আমরা ফিরতামো একসাথে।
কিন্তু ওই যেদিন থেকে প্রিয় মানুষ নামক পদটির উঃরাধিকারী বদলেছে তবে থেকে তার আর সময় হয় কই! সিদ্ধান্ত নিলাম সে যদি বদলাতে পারে তবে আমি কেন পারি না?
সে বদলেছে তাহলে বদলাব আমিও ।
যেই বলা সেই কাজ।
বদলানো শুরু করলাম আমি যতটা কঠিন হতে চেয়েছিলাম ততটুকু কেন
একবিন্দুও বদলাতে পারছিলাম না আমি । তবে কঠিন হতে সাহায্য করেছিল সেই ।

একদিন....

চলবে...

No comments

info.kroyhouse24@gmail.com